হারারে টেস্টে ব্যাটিং বিপর্যয় কাটিয়ে উঠতে না পারায় জিম্বাবুয়ের কাছে ইনিংস ও ৮৫ রানের বড় ব্যবধানে পরাজিত হয়েছে বাংলাদেশ। শেষ দিনেও ম্যাচে ফেরার মতো কোনো প্রতিরোধ গড়তে পারেনি সফরকারীরা।
টস হেরে আগে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ইনিংসে মাত্র ১৪০ রানে গুটিয়ে যায় বাংলাদেশ। জবাবে ইনোসেন্ট কাইয়ার ১৪০ রানের দুর্দান্ত ইনিংস এবং ওয়েসলি মাধেভেরে (৭৭), ক্রেইগ আরভিন (৬০) ও ব্রায়ান বেনেটের (৫৯) ব্যাটিং নৈপুণ্যে ৪১০ রান করে জিম্বাবুয়ে। ফলে প্রথম ইনিংসেই ২৭০ রানের বড় লিড পায় স্বাগতিকরা।
দ্বিতীয় ইনিংসেও ব্যাটিং ব্যর্থতা অব্যাহত থাকে বাংলাদেশের। শুরুতেই ফিরে যান মাহমুদুল হাসান জয় ও মুমিনুল হক। এরপর নাজমুল হোসেন শান্ত (৩০) ও মুশফিকুর রহিম (৩৪) ৬১ রানের জুটি গড়ে কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও তা স্থায়ী হয়নি। তাওহিদ হৃদয় ৯ রানে আউট হন।
শেষ পর্যন্ত ১৮৫ রানে অলআউট হয়ে ইনিংস ব্যবধানে ও ৮৫ রানের ব্যবধানে হার মানে বাংলাদেশ। ২৫ বছর পর জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ইনিংস ব্যবধানে টেস্ট হারল টাইগাররা।
ম্যাচজুড়ে বাংলাদেশের ব্যাটিং ব্যর্থতা ছিল স্পষ্ট। প্রথম ইনিংসে শেষ আট উইকেট হারায় মাত্র ২৮ রানে, আর দ্বিতীয় ইনিংসেও ধারাবাহিক ব্যর্থতায় বড় ব্যবধানের হার এড়ানো যায়নি।
তবে বল হাতে একাই লড়াই করেন তাইজুল ইসলাম। প্রথম ইনিংসে সাত উইকেট নিয়ে জিম্বাবুয়েকে আরও বড় লিড গড়তে বাধা দেন তিনি। তবে ব্যাটসম্যানদের ব্যর্থতায় তার এই পারফরম্যান্স শেষ পর্যন্ত কোনো প্রভাব ফেলতে পারেনি।