জাতীয় সংসদের হুইপ ও নাটোর-২ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট এম রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু বলেছেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান প্রতিষ্ঠিত বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই দেশের শিক্ষক, জ্ঞানী-গুণী ও বুদ্ধিজীবীদের যথাযথ সম্মান দিয়ে আসছে। বিএনপি যখনই রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব পেয়েছে, তখনই শিক্ষা খাতকে অগ্রাধিকার দিয়ে শিক্ষাবান্ধব বাজেট প্রণয়ন করেছে। তিনি বলেন, কৃষক, শ্রমিকসহ সকল শ্রেণি-পেশার মানুষের কল্যাণে বর্তমান বাজেট প্রণয়ন করা হয়েছে এবং ভবিষ্যতেও এ ধারা অব্যাহত থাকবে।
শনিবার (২০ জুন) বিকেলে বড়াইগ্রাম পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন, উপজেলা পরিষদ ও বড়াইগ্রাম পৌরসভার যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত একুশে পদকপ্রাপ্ত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা ও প্রাচ্যকলা বিভাগের সাবেক চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. আব্দুস সাত্তারের গুণীজন সংবর্ধনা, মেলা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
বড়াইগ্রাম পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে দিনব্যাপী অনুষ্ঠিত এ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বড়াইগ্রাম সরকারি অনার্স কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ মো. আফসার আলী। প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য দেন স্থানীয় সংসদ সদস্য আব্দুল আজিজ।
অনুষ্ঠানে সংবর্ধিত অতিথি প্রফেসর ড. আব্দুস সাত্তার ছাড়াও বক্তব্য দেন জেলা পরিষদের প্রশাসক ও জেলা বিএনপির আহ্বায়ক রহিম নেওয়াজ, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) লায়লা জান্নাতুল ফেরদৌস, বড়াইগ্রাম পৌরসভার সাবেক মেয়র ইসাহাক আলী, সাবেক প্রশাসক অ্যাডভোকেট শরীফুল হক মুক্তা, জেলা জামায়াতের নায়েবে আমির অধ্যক্ষ দেলোয়ার হোসাইন খান, জেলা বিএনপির সদস্য অধ্যক্ষ আশরাফ আলী, উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি আবু বকর সিদ্দিক, পৌর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক বেলাল হোসেন এবং গুণীজন সংবর্ধনা বাস্তবায়ন কমিটির আহ্বায়ক শফীউল হাসান তিতু ও সদস্য সচিব রাশিদুল ইসলাম রাশেদ।
অনুষ্ঠানে বড়াইগ্রাম পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রাক্তন ছাত্র এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা ও প্রাচ্যকলা বিভাগের সাবেক চেয়ারম্যান, একুশে পদকপ্রাপ্ত প্রফেসর ড. আব্দুস সাত্তারকে গুণীজন সংবর্ধনা প্রদান করা হয়।
এ সময় স্থানীয় বক্তা ও হাজারো মানুষ ব্যানার-প্ল্যাকার্ড নিয়ে বড়াইগ্রাম উপজেলাকে বিভক্ত করে ‘বড়াইগ্রাম’ ও ‘বনপাড়া’ নামে দুটি পৃথক উপজেলা গঠনের দাবি জানান। প্রধান অতিথি হুইপ এম রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু তার বক্তব্যে এ দাবির প্রতি সমর্থন জানিয়ে বিষয়টি সরকারের উচ্চপর্যায়ে উত্থাপন এবং দুটি পৃথক উপজেলা গঠনের লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়ার আশ্বাস দেন।
অনুষ্ঠান শেষে জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী মনির খানসহ জাতীয় ও স্থানীয় শিল্পীদের অংশগ্রহণে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশিত হয়।