কুড়িগ্রামের রৌমারী উপজেলার দুটি সীমান্তের শূন্যরেখায় বিএসএফের পুশ-ইন চেষ্টার শিকার ৫ যুবক টানা ৭ দিন ধরে আটকে আছেন। এর মধ্যে গয়টাপাড়া সীমান্তে ২ জন এবং ভন্দুরচর সীমান্তে ৩ জন অবস্থান করছেন।
ঝড়-বৃষ্টি ও তীব্র রোদ উপেক্ষা করে তারা সীমান্তের শূন্যরেখায় সামান্য প্লাস্টিকের ছাউনির নিচে মানবেতর জীবনযাপন করছেন। সেখানে পর্যাপ্ত খাবার, বিশুদ্ধ পানি কিংবা স্যানিটেশন সুবিধা নেই।
এদিকে শূন্যরেখায় আটকে পড়া ব্যক্তিদের ঘিরে বিজিবি ও বিএসএফ উভয় পক্ষই সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত রবিবার সকালে গয়টাপাড়া সীমান্ত দিয়ে দুই শিশু ও তাদের বাবা-মাসহ ৬ জন এবং ভন্দুরচর সীমান্ত দিয়ে আরও ৩ জনসহ মোট ৯ জনকে পুশ-ইনের চেষ্টা চালায় বিএসএফ। বিষয়টি টের পেয়ে বাধা দেয় বিজিবি ও স্থানীয়রা। পরে তারা শূন্যরেখায় অবস্থান নেন।
এরপর গত বুধবার ভোরে গয়টাপাড়া সীমান্তের শূন্যরেখা থেকে ২ শিশু ও তাদের বাবা-মাকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়।
এ বিষয়ে স্থানীয়রা দ্রুত উচ্চপর্যায়ের কূটনৈতিক উদ্যোগের মাধ্যমে শূন্যরেখায় আটকে থাকা ব্যক্তিদের মানবিকভাবে উদ্ধার ও পুনর্বাসনের দাবি জানিয়েছেন।
জামালপুর ৩৫ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল হাসানুর রহমান জানান, উদ্ভূত পরিস্থিতি শান্তিপূর্ণভাবে সমাধানের জন্য উভয় দেশের উচ্চপর্যায়ে যোগাযোগ অব্যাহত রয়েছে।