চিলমারীতে ক্ষুব্ধ গ্রামবাসীদের ভাঙচুরে মাদককারবারীদের ঘরবাড়ি

চিলমারী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি

সারাদেশ

কুড়িগ্রামের চিলমারীতে দীর্ঘদিন ধরে মাদক ব্যবসা ও সেবনের অভিযোগকে কেন্দ্র করে স্থানীয়দের মধ্যে চরম ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে বুধবার (সময়

2026-06-18T16:04:30+00:00
2026-06-18T16:04:30+00:00
  সোমবার, ২২ জুন ২০২৬,
৮ আষাঢ় ১৪৩৩
 
সোমবার, ২২ জুন ২০২৬
সারাদেশ
চিলমারীতে ক্ষুব্ধ গ্রামবাসীদের ভাঙচুরে মাদককারবারীদের ঘরবাড়ি
চিলমারী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি
বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন, ২০২৬, ৪:০৪ পিএম 
সংগৃহীত ছবি
কুড়িগ্রামের চিলমারীতে দীর্ঘদিন ধরে মাদক ব্যবসা ও সেবনের অভিযোগকে কেন্দ্র করে স্থানীয়দের মধ্যে চরম ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে বুধবার (সময় উল্লেখিত) রাত ৯টার দিকে ক্ষুব্ধ গ্রামবাসীরা সংঘবদ্ধ হয়ে কয়েকজন অভিযুক্ত ব্যক্তির ঘরবাড়ি ও একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে ভাঙচুর চালায়। এতে এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, উপজেলার রমনা ইউনিয়নের রমনা সরকার বাড়ি এলাকার রিপন মিয়া, ধলু মিয়া, রমনা ব্যাপারী পাড়া এলাকার মোহাম্মদ আলী, বজরা দিয়ার খাতা এলাকার মিঠু মিয়া, রঞ্জু মিয়া, মুকুল মিয়া ও হালিম বাদশাসহ কয়েকজন দীর্ঘদিন ধরে মাদক কেনাবেচা ও সেবনের সঙ্গে জড়িত। বিষয়টি নিয়ে একাধিকবার প্রতিবাদ করা হলেও পরিস্থিতির কোনো উন্নতি হয়নি বলে দাবি তাদের। তাদের অভিযোগ, মাদকের কারণে এলাকার যুবসমাজ বিপথগামী হচ্ছে এবং চুরি-ছিনতাইসহ বিভিন্ন অপরাধ বৃদ্ধি পাচ্ছে।

এ অবস্থায় ক্ষুব্ধ গ্রামবাসীরা একত্রিত হয়ে অভিযুক্তদের বাড়ির সামনে অবস্থান নেন এবং পরে কয়েকটি ঘরবাড়ি ও একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে ভাঙচুর চালান। পরে খবর পেয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন স্থানীয় বাসিন্দা জানান, মাদক সংশ্লিষ্ট কার্যক্রমের কারণে দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় অস্থিরতা বিরাজ করছে। একাধিক পরিবার সামাজিক ও অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বারবার অভিযোগ দেওয়ার পরও কার্যকর ব্যবস্থা না নেওয়ায় মানুষের মধ্যে ক্ষোভ বাড়তে থাকে।

অন্যদিকে অভিযুক্ত পরিবারের সদস্যরা এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তাদের দাবি, পূর্ব শত্রুতার জেরে তাদের বাড়িঘরে হামলা ও ভাঙচুর করা হয়েছে। তারা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও ক্ষতিপূরণের দাবি জানিয়েছেন।

হালিম বাদশা নামে এক অভিযুক্ত ব্যক্তি বলেন, তিনি গত ৯–১০ মাস ধরে মাদক থেকে দূরে আছেন এবং তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সঠিক নয়।

রমনা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান গোলাম আশেক আকা বলেন, ভাঙচুরের বিষয়টি তার জানা নেই। তবে মাদকের বিরুদ্ধে এলাকাবাসীর অবস্থান ইতিবাচক হলেও আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়া কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। সব অভিযোগ আইনগত প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই নিষ্পত্তি করা উচিত।

চিলমারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নয়ন কুমার বলেন, ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বর্তমানে এলাকায় পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে এবং অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।


Loading...
Loading...

সারাদেশ- এর আরো খবর

Loading...
Loading...
© 2026 Daily Daily Bhorer Dak
সম্পাদক ও প্রকাশক : কে.এম. বেলায়েত হোসেন
৪-ডি, মেহেরবা প্লাজা, ৩৩ তোপখানা রোড, ঢাকা-১০০০ থেকে প্রকাশিত এবং মনিরামপুর প্রিন্টিং প্রেস ৭৬/এ নয়াপল্টন, ঢাকা থেকে মুদ্রিত। পিএবিএক্স: ৪১০৫২২৪৫, ৪১০৫২২৪৬, ০১৭৭৫-৩৭১১৬৭, বিজ্ঞাপন ও সার্কুলেশন: ৪১০৫২২৫৮
ই-মেইল : [email protected], [email protected]
ফলো করুন: