ভৈরবে দেনা-পাওনাকে কেন্দ্র করে দুই ব্যক্তিকে প্রকাশ্যে তুলে নিয়ে বাড়িতে আটকে রেখে মধ্যযুগীয় কায়দায় মারধরের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে।
আহতরা হলেন, মিরারচর গ্রামের মোঃ রেজাউল করিম রতন ও গোলাম আজম। বর্তমানে রেজাউল করিম রতন ঢাকা জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
এ ঘটনায় রতনের ভাই বাদী হয়ে একই গ্রামের আহসান উল্লাহসহ নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতনামা আরও ২-৩ জনের বিরুদ্ধে বুধবার রাতে ভৈরব থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, রেজাউল করিম রতনের ভাই কামরুল ইসলাম মাসুদের সঙ্গে আহসান উল্লাহর দেনা-পাওনা নিয়ে বিরোধ চলছিল। এর জের ধরে বুধবার বিকেলে মিরারচর বাজার থেকে রেজাউল করিম রতনকে আহসান উল্লাহ ও তার লোকজন প্রকাশ্যে মারধর করে জোরপূর্বক তাদের বাড়িতে নিয়ে আটকে রাখে। পরে সেখানে তাকে নির্মমভাবে মারধর করা হয়। এক পর্যায়ে তিনি রক্তবমি করে অজ্ঞান হয়ে পড়েন।
পরে স্থানীয়রা খবর পেয়ে তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে উন্নত চিকিৎসার জন্য জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউটে পাঠান। বর্তমানে তার অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে।
একই দিন গোলাম আজমকেও নিজ বাড়ি থেকে মারধর করে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে আটকে রেখে মারধরের পর আহত অবস্থায় ছেড়ে দেওয়া হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা ও নিন্দার সৃষ্টি হয়েছে।
ভৈরব থানার পরিদর্শক (তদন্ত) লিমন বোস জানান, এ ঘটনায় লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।