প্যানভেলের ফার্মহাউসকে ঘিরে চলমান আইনি বিরোধে অন্তর্বর্তী স্বস্তি পেয়েছেন বলিউড অভিনেতা সালমান খান। তার করা মানহানি মামলার শুনানিতে বম্বে হাইকোর্টের একক বেঞ্চ অভিনেতাকে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত বিতর্কিত পোস্ট ও ভিডিও অপসারণের নির্দেশ দিয়েছেন।
বিচারপতি শর্মিলা দেশমুখের বেঞ্চে মামলার শুনানির সময় আদালত মন্তব্য করে, ব্যক্তিগত কিংবা সম্পত্তি-সংক্রান্ত বিরোধের সমাধান সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অভিযোগ-পাল্টা অভিযোগের মাধ্যমে নয়, বরং আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই হওয়া উচিত।
আদালত আরও পর্যবেক্ষণ করে যে, কোনো বিষয় বিচারাধীন থাকলে সেটি নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে নতুন করে বিতর্ক সৃষ্টি করার প্রয়োজনীয়তা নেই। ব্যক্তিগত ক্ষোভ প্রকাশের ক্ষেত্র হিসেবে সামাজিক মাধ্যমকে ব্যবহার না করে আদালতের মাধ্যমেই আইনি লড়াই চালিয়ে যাওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
মহারাষ্ট্রের রায়গড় জেলার প্যানভেলে অবস্থিত সালমান খানের ‘অর্পিতা ফার্মস’-এর পাশেই রয়েছে কেতন কক্কড়ের জমি। কক্কড়ের অভিযোগ, ফার্মহাউস নির্মাণের সময় বিভিন্ন নিয়ম লঙ্ঘন করা হয়েছে। পাশাপাশি তার জমিতে যাতায়াতের একমাত্র পথ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে বলেও তিনি দাবি করেন।
এ ছাড়া প্রশাসনিকভাবে ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগও তোলেন তিনি। তার দাবি অনুযায়ী, জমির বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়েছে, সম্পত্তির কিছু অংশ ভেঙে ফেলা হয়েছে এবং নথিপত্রে কারচুপির মাধ্যমে তার জমি দখলের চেষ্টা করা হয়েছে।
অন্যদিকে, সালমান খানের আইনজীবীরা এসব অভিযোগকে সম্পূর্ণ অসত্য ও ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছেন। তাদের বক্তব্য, যে জমি নিয়ে কেতন কক্কড় অভিযোগ করছেন, সেই সম্পত্তি-সংক্রান্ত মূল লেনদেনেই আইনি জটিলতা ছিল এবং সে কারণেই তা পরবর্তীতে বাতিল করা হয়। ফলে জোরপূর্বক জমি দখলের অভিযোগের কোনো ভিত্তি নেই বলে তারা আদালতে দাবি করেন।