জাতীয় টিকাদান কর্মসূচির জন্য ৪৬৩ কোটি টাকার টিকা-ওষুধ কেনার অনুমোদন

অনলাইন ডেস্ক

জাতীয়

জাতীয় টিকাদান কর্মসূচি (ইপিআই), যক্ষ্মা নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচি এবং এইচআইভি/এইডস রোগীদের চিকিৎসা সেবায় ব্যবহৃত টিকা ও ওষুধ ক্রয়ে মোট ৪৬৩ কোটি

2026-06-10T15:59:33+00:00
2026-06-10T15:59:33+00:00
  বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬,
২৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
 
বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬
জাতীয়
জাতীয় টিকাদান কর্মসূচির জন্য ৪৬৩ কোটি টাকার টিকা-ওষুধ কেনার অনুমোদন
অনলাইন ডেস্ক
বুধবার, ১০ জুন, ২০২৬, ৩:৫৯ পিএম 
সংগৃহীত ছবি
জাতীয় টিকাদান কর্মসূচি (ইপিআই), যক্ষ্মা নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচি এবং এইচআইভি/এইডস রোগীদের চিকিৎসা সেবায় ব্যবহৃত টিকা ও ওষুধ ক্রয়ে মোট ৪৬৩ কোটি ৪৪ লাখ ৫৭ হাজার ২০ টাকা ব্যয়ের চারটি ক্রয় প্রস্তাব অনুমোদন দিয়েছে সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি।

বুধবার (১০ জুন) সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত কমিটির বৈঠকে এসব প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

সভা সূত্রে জানা গেছে, মাঠ পর্যায়ে সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচি (ইপিআই) অব্যাহত রাখতে ২০২৫-২৬ অর্থবছরের অবশিষ্ট ৫০ শতাংশ রুটিন ভ্যাকসিন সংগ্রহের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আন্তর্জাতিক সংস্থা ইউনিসেফের মাধ্যমে সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে সাত ধরনের ভ্যাকসিন কেনা হবে। এ জন্য ব্যয় ধরা হয়েছে ৪১২ কোটি ৭১ লাখ ৪৫ হাজার ৭৫৫ টাকা।

এই অর্থে মোট ৭৭ লাখ ৯৫ হাজার ৬৩৬ ভায়াল ভ্যাকসিন সংগ্রহ করা হবে। ভ্যাকসিনগুলোর উৎপাদনকারী দেশ হলো জাপান, ডেনমার্ক, ভারত, বুলগেরিয়া, ইন্দোনেশিয়া, বেলজিয়াম ও দক্ষিণ কোরিয়া। এর আগে একই অর্থবছরের চাহিদার প্রথম ৫০ শতাংশ ভ্যাকসিন ইউনিসেফের মাধ্যমে ৪১৯ কোটি ৯৭ লাখ ৬৯ হাজার ৮২৪ টাকা ব্যয়ে ক্রয় করা হয়েছিল।

অন্যদিকে, জাতীয় যক্ষ্মা নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচির আওতায় ব্যবহৃত অত্যাবশ্যকীয় অ্যান্টি-টিবি ওষুধ (৪এফডিসি) অতিরিক্ত কেনার জন্য একটি ভেরিয়েশন প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এর আওতায় রেনেটা পিএলসির কাছ থেকে অতিরিক্ত ১ কোটি ৭ লাখ ৭৩ হাজার ইউনিট ওষুধ সংগ্রহ করা হবে। এতে অতিরিক্ত ব্যয় হবে ১৫ কোটি ৫১ লাখ ৩১ হাজার ২০০ টাকা। ফলে সংশোধিত চুক্তিমূল্য বেড়ে দাঁড়াবে ৯৩ কোটি ৭ লাখ ৮৭ হাজার ২০০ টাকা।

যক্ষ্মা রোগ দ্রুত শনাক্তে ব্যবহৃত জিনএক্সপার্ট কার্ট্রিজ অতিরিক্ত কেনার প্রস্তাবও অনুমোদন পেয়েছে। ইউনাইটেড ন্যাশনস অফিস ফর প্রজেক্ট সার্ভিসেস (ইউএনওপিএস)-এর কাছ থেকে অতিরিক্ত ২ লাখ ৯৬ হাজার ৪০০ কার্ট্রিজ সংগ্রহ করা হবে। এ খাতে অতিরিক্ত ব্যয় হবে ৩১ কোটি ৬৯ লাখ ৬৩ হাজার ৯৩৫ টাকা। এতে সংশোধিত চুক্তিমূল্য দাঁড়াবে ১৯০ কোটি ১৭ লাখ ৮৪ হাজার ২৭৭ টাকা।

এ ছাড়া জাতীয় এইচআইভি/এইডস কর্মসূচির আওতায় রোগীর সংখ্যা বৃদ্ধি এবং সম্ভাব্য ওষুধ সংকট মোকাবিলায় অ্যান্টি-রেট্রোভাইরাল ওষুধ অতিরিক্ত কেনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এস এস সাইন্টিফিক কর্পোরেশনের কাছ থেকে পাঁচটি আইটেমে ১৯ লাখ ৭৬ হাজার ৭৬০ ইউনিট ওষুধ সংগ্রহ করা হবে। এ জন্য অতিরিক্ত ব্যয় হবে ৩ কোটি ৫২ লাখ ১৬ হাজার ১৩০ টাকা। ফলে সংশোধিত চুক্তিমূল্য বেড়ে ২১ কোটি ১২ লাখ ৯৬ হাজার ৮৭৪ টাকা হবে।

সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা, শিশুদের নিয়মিত টিকাদান কার্যক্রম বজায় রাখা এবং যক্ষ্মা ও এইচআইভি রোগীদের চিকিৎসা নিরবচ্ছিন্ন রাখতে এসব ক্রয় কার্যক্রম অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।


Loading...
Loading...

জাতীয়- এর আরো খবর

Loading...
Loading...
© 2026 Daily Daily Bhorer Dak
সম্পাদক ও প্রকাশক : কে.এম. বেলায়েত হোসেন
৪-ডি, মেহেরবা প্লাজা, ৩৩ তোপখানা রোড, ঢাকা-১০০০ থেকে প্রকাশিত এবং মনিরামপুর প্রিন্টিং প্রেস ৭৬/এ নয়াপল্টন, ঢাকা থেকে মুদ্রিত। পিএবিএক্স: ৪১০৫২২৪৫, ৪১০৫২২৪৬, ০১৭৭৫-৩৭১১৬৭, বিজ্ঞাপন ও সার্কুলেশন: ৪১০৫২২৫৮
ই-মেইল : [email protected], [email protected]
ফলো করুন: