ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় কোরবানির পশুর চামড়ার ন্যায্য দাম না পাওয়া ও ক্রেতাসংকটের কারণে শত শত চামড়া সড়কের পাশে ফেলে রেখে চলে গেছেন মৌসুমী ব্যবসায়ীরা। এতে বড় ধরনের লোকসানের মুখে পড়েছেন তারা। ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, সিন্ডিকেটের কারণে চামড়ার বাজারে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে এবং তারা ন্যায্য মূল্য থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।
শুক্রবার (২৯ মে) শহরের বিভিন্ন সড়কের পাশে কাঁচা চামড়ার স্তূপ পড়ে থাকতে দেখা যায়। বিশেষ করে শহরের টি এ রোডসহ কয়েকটি এলাকায় দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়ে, এতে দুর্ভোগে পড়েন পথচারীরা।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, এবার ঈদুল আজহায় ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় প্রায় ১ লাখ ৬৯ হাজার কোরবানির পশুর চাহিদা ছিল। জেলার প্রায় ১৫ হাজার খামারি পশু লালন-পালন করেন। ঈদের দিন দুপুরের পর থেকেই মৌসুমী ব্যবসায়ীরা বিভিন্ন এলাকা থেকে চামড়া সংগ্রহ করে শহরে নিয়ে আসেন। তবে রাতভর অপেক্ষা করেও কাঙ্ক্ষিত ক্রেতা না পাওয়ায় বিপাকে পড়েন তারা।
অনেক ব্যবসায়ী চামড়া বিক্রির আশায় শহরের বিভিন্ন স্থানে ঘুরলেও শেষ পর্যন্ত কোনো ক্রেতা না পেয়ে সড়কের পাশেই চামড়া ফেলে চলে যান।
মৌসুমী ব্যবসায়ীদের দাবি, ৫০০ টাকায় কেনা একটি গরুর চামড়া ২০০ টাকাতেও বিক্রি করা সম্ভব হয়নি। ফলে তারা বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন। তাদের অভিযোগ, সরকারের কার্যকর নজরদারির অভাবে চামড়ার বাজার সিন্ডিকেটের নিয়ন্ত্রণে চলে গেছে।
স্থানীয়রা দ্রুত এসব চামড়া অপসারণ এবং বাজার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।