ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের গৌরনদী উপজেলায় নামক এলাকায় সড়ক দুর্ঘটনায় স্বামী-স্ত্রীসহ একই পরিবারের তিনজন নিহত হয়েছেন।
মঙ্গলবার (২৬ মে) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে গৌরনদী উপজেলার বাটাজোর এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
ঘটনার পরপরই বাসটি আটকে ভাঙচুর করেন স্থানীয়রা। তবে চালক ও তাঁর সহকারী বাসটি ফেলে পালিয়েছেন। দুর্ঘটনার কারণে যান চলাচল বন্ধ হয়ে মহাসড়কে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়।
নিহতরা হলেন উজিরপুর উপজেলার আব্দুল হাকিমের ছেলে ফিরোজ মাহমুদ (৩৯), তার স্ত্রী মনিরা বেগম (২৭) এবং শিশু কন্যা জান্নাত আক্তার (৪)।
ঘটনার পরপরই স্থানীয় বিক্ষুব্ধ জনতা ঘাতক আনন্দ গ্রুপের তাজ পরিবহনটি ভাঙচুর করেছে। তবে চালক-হেলপার কৌশলে পালিয়ে গেছে। অপরদিকে দুর্ঘটনার কারণে প্রায় দেড় ঘণ্টা ধরে যান চলাচল বন্ধ হয়ে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়েছে।
গৌরনদী ফায়ার সার্ভিস স্টেশন অফিসার মো. মিজানুর রহমান বলেন, মোটরসাইকেলে করে স্ত্রী ও শিশু সন্তানকে নিয়ে উজিরপুরের দিকে যাচ্ছিলেন ফিরোজ। পথে যানজটের কারণে বাটাজোর বাসস্ট্যান্ডে মোটরসাইকেল থামান তিনি। এ সময় তাজ আনন্দ পরিবহনের একটি বাস পেছন থেকে মোটরসাইকেলকে বেপরোয়া গতিতে ধাক্কা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই তিনজন নিহত হয়।
এ ব্যাপারে গৌরনদী হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মহসীন বলেন, দুর্ঘটনাকবলিত বাসটি জব্দ করা হয়েছে। তবে চালক ও তাঁর সহকারী পালিয়েছেন। যানজট নিরসনের চেষ্টা চলছে।