তৃষ্ণা নিবারনে জনপ্রিয় হয়ে উঠছে তালশাঁস

মাদারীপুর (শিবচর) সংবাদদাতা

সারাদেশ

ঈদুল আজহা সামনে রেখে দেশের বিভিন্ন এলাকায় জমে উঠেছে পশুর হাট। ক্রেতা-বিক্রেতাদের পদচারণায় মুখর হয়ে উঠেছে পশুর হাট। তবে তীব্র

2026-05-23T12:08:51+00:00
2026-05-23T12:19:09+00:00
  সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬,
১২ শ্রাবণ ১৪৩৩
 
সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬
সারাদেশ
তৃষ্ণা নিবারনে জনপ্রিয় হয়ে উঠছে তালশাঁস
মাদারীপুর (শিবচর) সংবাদদাতা
শনিবার, ২৩ মে, ২০২৬, ১২:০৮ পিএম  আপডেট: ২৩.০৫.২০২৬ ১২:১৯ পিএম
ভ্যাপসা গরমে বিভিন্ন পশুর হাটে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে শিবচরের তালশাঁস।
ঈদুল আজহা সামনে রেখে দেশের বিভিন্ন এলাকায় জমে উঠেছে পশুর হাট। ক্রেতা-বিক্রেতাদের পদচারণায় মুখর হয়ে উঠেছে পশুর হাট। তবে তীব্র গরম ও ভ্যাপসা আবহাওয়ায় হাঁসফাঁস অবস্থা মানুষের। আর এই গরমে স্বস্তি এনে দিতে তৃষ্ণা  নিবারনে  বিভিন্ন পশুর হাটে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে শিবচরের সুস্বাদু ও রসালো তালশাঁস।

শিবচরের বিভিন্ন এলাকা থেকে তালশাঁস সংগ্রহ করে বিক্রেতারা এখন পশুর হাটগুলোতে বিক্রি করছেন। হাটের প্রবেশপথ, রাস্তার পাশে ও গরুর সারির আশপাশে ছোট ছোট ভ্রাম্যমাণ দোকানে দেখা মিলছে তালশাঁস বিক্রেতাদের। গরমে ক্লান্ত মানুষজন ভিড় করছেন এসব দোকানে।

বিক্রেতারা জানান, সকাল থেকে রাত পর্যন্ত তালশাঁসের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। অনেক বিক্রেতা অধিক মুনাফার আশায় ট্রাক ভরে তালশাঁস নিয়ে ছুটছেন ঢাকাসহ বিভিন্ন পশুর হাটে,  প্রতি পিস তালশাঁস ৩০ থেকে ৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। 

অনেকেই বরফ মিশিয়ে ঠান্ডা করে পরিবেশন করছেন, যা গরমে বাড়তি প্রশান্তি দিচ্ছে। 

পশুর হাটে আসা ক্রেতাদের একজন বলেন, “গরু দেখতে এসে প্রচণ্ড গরমে খুব কষ্ট হচ্ছিল। পানি পিপাসা লাগলে  ঠান্ডা তালশাঁস খেয়ে শরীরটা অনেকটা ঠান্ডা লাগছে। হাটের পানি ও লেবু শরবত নিরাপদ নয়, ধুলাবালি ও  ময়লা পানি থাকায় তাহা নিরাপদ নয় ”

আরেক বিক্রেতা জানান, “আগের চেয়ে এবার গরম বেশি হওয়ায় তালশাঁসের বিক্রিও বেড়েছে। দুপুরের পর সবচেয়ে বেশি বিক্রি হয়।” 

স্থানীয়দের মতে, প্রাকৃতিকভাবে শরীর ঠান্ডা রাখতে তালশাঁস বেশ উপকারী হওয়ায় গরম মৌসুমে এর জনপ্রিয়তা বাড়ছে। ফলে এবার পশুর হাটগুলোতে পশু কেনাবেচার পাশাপাশি শিবচরের তালশাঁসও হয়ে উঠেছে আলাদা।

বিভিন্ন পশুর হাটের প্রবেশ দারে কেহ ছোট দোকান এবং কেহ ভ্যান গাঠীর উপরে বসে বিক্রি করছে।

তালশাঁস বিক্রেতা রেজাউল বলেন, এই ব্যবসা সর্বোচ্চ একমাস চলে, আমরা গ্রামে ঘুরে গাছের তাল কিনি প্রতিটি গাছের তাল ৫শত থেকে ১ হাজার টাকায়, এগুলো কেটে এনে বিভিন্ন বাজারে খুচরা ও পাইকারী বিক্রি করি কেহ আবার অধিক লাভের আশায় ঢাকার বিভিন্ন আরতে বিক্রি করেন। 

স্হানীয় ৭০ উর্দ্ধে জলিল ব্যাপারী  বলেন আগে শিবচরে অনেক তাল গাছ ছিলো, গাছিরা রশ সংগ্রহ করে সুসাদু গুর তৈরী করতো, গরমে কচি শাস বিক্রি হয়, এবং আশাড়, থেকে ভাদ্র মাস পর্যন্ত পাকা তাল পাওয়া জেতে, এখন অধিকাংশ গাছ কেটে ইট ভাটায় পুড়ানো হয় বিধায় তাল গাছে বিলুপ্তি পথে, এ ব্যাপারে প্রশাসন পদক্ষেপ নিলে নতুল করে তাল গাছ রোপন করলে পুনরায় ফিরে আসবে তাল,রশ,গুড়ের ঐতিহ্য। 


Loading...
Loading...

সারাদেশ- এর আরো খবর

Loading...
Loading...
© 2026 Daily Daily Bhorer Dak
সম্পাদক ও প্রকাশক : কে.এম. বেলায়েত হোসেন
৪-ডি, মেহেরবা প্লাজা, ৩৩ তোপখানা রোড, ঢাকা-১০০০ থেকে প্রকাশিত এবং মনিরামপুর প্রিন্টিং প্রেস ৭৬/এ নয়াপল্টন, ঢাকা থেকে মুদ্রিত। পিএবিএক্স: ৪১০৫২২৪৫, ৪১০৫২২৪৬, ০১৭৭৫-৩৭১১৬৭, বিজ্ঞাপন ও সার্কুলেশন: ৪১০৫২২৫৮
ই-মেইল : [email protected], [email protected]
ফলো করুন: