চাঁদপুরে ইপিজেড স্থাপন বাস্তবসম্মত হলে দ্রুত বাস্তবায়নের আশ্বাস দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, সম্ভাব্যতা যাচাই শেষে প্রকল্পটি কার্যকর মনে হলে দ্রুত কাজ শুরু করা হবে।
শনিবার (১৬ মে) বিকেলে চাঁদপুর সরকারি কলেজ মাঠে উপকারভোগীদের মাঝে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন তিনি। চাঁদপুরসহ আরও ২০টি জেলায় ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে এ কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, চাঁদপুরে ইপিজেড স্থাপিত হলে স্থানীয়দের পাশাপাশি দেশের অন্যান্য এলাকার যুবকদের জন্যও কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে। শিল্পায়নের মাধ্যমে চাঁদপুরকে অর্থনৈতিকভাবে আরও এগিয়ে নেওয়াই সরকারের লক্ষ্য বলে জানান তিনি।
তিনি আরও বলেন, বর্তমান বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলা সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার। চাঁদপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রসঙ্গ তুলে ধরে তিনি বলেন, এ প্রতিষ্ঠান তরুণদের দক্ষ হিসেবে গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। যাতে তারা দেশে কিংবা বিদেশে নিজেদের যোগ্যতার ভিত্তিতে কর্মসংস্থানের সুযোগ পেতে পারে।
রাজনীতির নামে বিভ্রান্তি ও অরাজকতা সৃষ্টির বিরুদ্ধে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, কেউ বিশৃঙ্খলা তৈরির চেষ্টা করলে জনগণকে তা শক্ত হাতে প্রতিহত করতে হবে।
তিনি বলেন, বিএনপির রাজনীতি মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তনের রাজনীতি। এর লক্ষ্য খাল খনন, কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি, শিল্পকারখানা স্থাপন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, স্বাস্থ্যসেবা ও মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।
প্রধানমন্ত্রীর এ ঘোষণাকে ঘিরে অনুষ্ঠানে উপস্থিত সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা যায়। স্থানীয়দের আশা, চাঁদপুরে ইপিজেড স্থাপিত হলে নতুন শিল্পকারখানা গড়ে উঠবে, বিনিয়োগ বাড়বে এবং হাজার হাজার মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে। একই সঙ্গে জেলার অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডেও নতুন গতি আসবে।
অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন, শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন, চাঁদপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য ড. মোহাম্মদ জালাল উদ্দিন, চাঁদপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য শেখ ফরিদ আহমেদ মানিক, চাঁদপুর-৫ আসনের সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার মো. মমিনুল হকসহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী ও সরকারি কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।