ভারতের ঐতিহাসিক কামাল মওলা মসজিদকে মন্দির ঘোষণা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক

ভারতের মধ্যপ্রদেশে ভোজশালা কমপ্লেক্সের স্থানকে সরস্বতীর মন্দির হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। শুক্রবার হিন্দু আবেদনকারীদের পক্ষে রায় দিয়েছে মধ্যপ্রদেশ হাইকোর্ট।বিচারপতি বিজয়

2026-05-16T12:48:58+00:00
2026-05-16T12:48:58+00:00
  শনিবার, ৬ জুন ২০২৬,
২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
 
  ই-পেপার   
           
শনিবার, ৬ জুন ২০২৬
আন্তর্জাতিক
ভারতের ঐতিহাসিক কামাল মওলা মসজিদকে মন্দির ঘোষণা
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
শনিবার, ১৬ মে, ২০২৬, ১২:৪৮ পিএম 
সংগৃহীত ছবি
ভারতের মধ্যপ্রদেশে ভোজশালা কমপ্লেক্সের স্থানকে সরস্বতীর মন্দির হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। শুক্রবার হিন্দু আবেদনকারীদের পক্ষে রায় দিয়েছে মধ্যপ্রদেশ হাইকোর্ট।

বিচারপতি বিজয় কুমার শুক্লা ও বিচারপতি অলোক আওয়াস্থির বেঞ্চ এ রায় দেয়। রায়ের পর্যবেক্ষণে বলা হয়, ভোজশালায় একটি সংস্কৃত শিক্ষাকেন্দ্র এবং সরস্বতীর মন্দির ছিল বলে প্রমাণ মিলেছে।

আদালত বলেছে, ‘আমরা লক্ষ্য করেছি যে এই স্থানে হিন্দু পূজার ধারাবাহিকতা কখনো বিলুপ্ত হয়নি। ঐতিহাসিক সাহিত্য থেকে এটি প্রতিষ্ঠিত হয় যে, বিতর্কিত এলাকাটির চরিত্র ছিল ভোজশালা, যা পরমার রাজবংশের রাজা ভোজের সঙ্গে সম্পর্কিত একটি সংস্কৃত শিক্ষার কেন্দ্র ছিল।’

হরমুজ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাবে চীনের ভেটোহরমুজ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাবে চীনের ভেটো
আদালত মুসলিম সম্প্রদায়কে জেলায় একটি মসজিদ নির্মাণের জন্য পৃথক জমি বরাদ্দের জন্য রাজ্য সরকারের কাছে আবেদন করার আহ্বান জানিয়েছে।

হিন্দু সম্প্রদায় ভোজশালাকে রাজা ভোজ নির্মিত সরস্বতীর মন্দির বলে মনে করে। অন্যদিকে মুসলিম পক্ষ দাবি করে যে এই স্থানটি বহু শতাব্দী ধরে কামাল মওলা মসজিদ হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে।

২০০৩ সালের এএসআই চুক্তি অনুসারে, হিন্দু ও মুসলমানরা যথাক্রমে মঙ্গলবার ও শুক্রবার এখানে প্রার্থনা করে থাকেন।

হিন্দু পক্ষ এই আদেশকে হাইকোর্টে চ্যালেঞ্জ করে এবং কমপ্লেক্সটিতে উপাসনার একচেটিয়া অধিকার দাবি করে।

হাইকোর্ট ২০২৪ সালের ১১ মার্চ এএসআইকে ভোজশালা মন্দির-কামাল মওলা মসজিদ কমপ্লেক্সের একটি বৈজ্ঞানিক সমীক্ষা চালানোর নির্দেশ দিয়েছিল।

এএসআই সেই বছরের ২২ মার্চ সমীক্ষা শুরু করে এবং ৯৮ দিনব্যাপী একটি বিস্তারিত সমীক্ষার পর আদালতে তাদের প্রতিবেদন জমা দেয়।

প্রতিবেদনে বলা হয়, ধারের পরমার রাজাদের শাসনামলের একটি বিশাল কাঠামো এই মসজিদেরও আগে নির্মিত হয়েছিল এবং বর্তমান বিতর্কিত কাঠামোটি মন্দিরের পুনর্ব্যবহৃত অংশ ব্যবহার করে তৈরি করা হয়েছে।

হিন্দু পক্ষের দাবি, এএসআই এর বৈজ্ঞানিক জরিপের সময় প্রাপ্ত মুদ্রা, ভাস্কর্য এবং শিলালিপি প্রমাণ করে যে এই চত্বরটি মূলত একটি মন্দির ছিল।

তবে, মুসলিম পক্ষ আদালতে যুক্তি দিয়েছে যে এএসআই এর জরিপ প্রতিবেদনটি পক্ষপাতদুষ্ট ছিল এবং হিন্দু আবেদনকারীদের দাবিকে সমর্থন করার জন্য প্রস্তুত করা হয়েছিল। সূত্র: এনডিটিভি


Loading...
Loading...

আন্তর্জাতিক- এর আরো খবর

Loading...
Loading...
© 2026 Daily Daily Bhorer Dak
সম্পাদক ও প্রকাশক : কে.এম. বেলায়েত হোসেন
৪-ডি, মেহেরবা প্লাজা, ৩৩ তোপখানা রোড, ঢাকা-১০০০ থেকে প্রকাশিত এবং মনিরামপুর প্রিন্টিং প্রেস ৭৬/এ নয়াপল্টন, ঢাকা থেকে মুদ্রিত। পিএবিএক্স: ৪১০৫২২৪৫, ৪১০৫২২৪৬, ০১৭৭৫-৩৭১১৬৭, বিজ্ঞাপন ও সার্কুলেশন: ৪১০৫২২৫৮
ই-মেইল : [email protected], [email protected]
ফলো করুন: