ওয়ার্ল্ড ভিশনের পক্ষ থেকে একদল দরিদ্র মানুষ জীবন জীবিকার উন্নয়নে গবাদিও গৃহপালিত পশু সহায়তা পেয়েছিলেন। পাঁচ বছরের মাথায় সেই সহায়তা প্রাপ্তরা নতুন আরেক ইতিহাস সৃষ্টি করলেন। তাদের প্রাপ্ত হাস মুরগী বেড়া থেকে বেড়ে ওঠা একটি অংশ নতুন আরেকদল মানুষের কাছে হস্তান্তর করলেন। এভাবেই প্রতিবেশীর সাথে সম্পদের সহভাগ করে নিজেদের আন্তঃনির্ভরশীল করে গড়ে তুলছেন কান্দিগাঁও ইউনিয়ন পি.এফ.এ'র উন্নয়ন প্রকল্পের উপকারভোগীরা।
বুধবার (৬ মে) শহরতলীর বাদাঘাট মডেল হাইস্কুল এন্ড কলেজ মাঠে এ উপলক্ষে একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
এতে সভাপতিত্ব করেন ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ সিলেটের সিনিয়র ম্যানেজার প্রশান্ত নাপাক।
সিলেট এপি, ওয়ার্ল্ড ভিশন ও কান্দিগাঁও পি.এফ.এ'র উন্নয়নে প্রকল্পের উপকারভোগীবৃন্দের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা খোশনূর রুবাইয়াৎ।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, মানুষের মধ্যে সম্পদ ভাগ করে একে অপরের পাশে দাঁড়ানোর মানসিকতা সবার থাকতে হবে। এক্ষেত্রে ওয়ার্ল্ড ভিশনের এই প্রকল্প নজির সৃষ্টি করলো। পাঁচ বছর আগে যারা ওয়ার্ল্ড ভিশন থেকে উপকৃত হয়েছিলন সেই সম্পদ আবার প্রতিবেশীদের মধ্যে ভাগ করে দেয়ার ঘটনা সাহাবাদের সময় কালকে স্বরণ করিয়ে দেয়। সে সময় তাঁরা একে অপরকে এভাবেই তাঁরা সহযোগিতা করে পাশে দাঁড়াতেন। আর আমরা পরস্পর একে অপরের সুখে-দুঃখে পাশে দাঁড়াতে পারলেই একটি সুখী সমৃদ্ধশালী সমাজ এবং সমৃদ্ধ দেশ গঠন সম্ভব।
শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন, মোহাম্মদ কফিল উদ্দিন মাহমুদ, বাদাঘাট মডেল হাইস্কুল এন্ড কলেজের প্রিন্সিপাল আলী আহমদ। বিশেষ অতিথি ছিলেন, সদর উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ নাহিদ আরজুমান বানু,কান্দিগাও ইউপি চেয়রাম্যানের, হাজী আব্দুল মনাফ। অনুষ্ঠানে কোরআন তেলাওয়াত করেন, সুমাইয়া ও গীতা পাঠ করেন, মনোরঞ্জন।