ইয়েমেনের হোদেইদা প্রদেশে একটি গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রবন্দর ও তেল স্থাপনায় বিমান হামলা চালানোর অভিযোগ উঠেছে সৌদি নেতৃত্বাধীন সামরিক জোটের বিরুদ্ধে। এসব হামলায় অন্তত সাতজন আহত হয়েছেন। সোমবার (২ নভেম্বর) হুথি বিদ্রোহীদের পক্ষ থেকে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
হুথি নিয়ন্ত্রিত স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র আনিস আলসাবাহি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া পোস্টে জানান, লোহিত সাগর উপকূলের রাস ইসা বন্দরে প্রথম হামলা চালানো হয়। এতে চারজন আহত হন। পরে বাজিল জেলার একটি তেল স্থাপনায় হামলা হলে আহত হন আরও তিনজন। আহত ব্যক্তিরা সবাই বেসামরিক নাগরিক বলে দাবি করেছেন তিনি।
আনিস আলসাবাহি অভিযোগ করেন, গুরুত্বপূর্ণ বন্দর ও তেল স্থাপনায় বারবার হামলা আন্তর্জাতিক মানবিক আইনের গুরুতর লঙ্ঘন। বেসামরিক ও গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোতে হামলার মাধ্যমে যুদ্ধাপরাধ সংঘটিত হচ্ছে বলেও দাবি করেন তিনি।
ইয়েমেনে দীর্ঘদিনের সংঘাত গত জুলাইয়ে নতুন করে তীব্র হয়ে ওঠে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। হুথি বিদ্রোহীদের সঙ্গে সৌদি নেতৃত্বাধীন জোটের লড়াই পুনরায় শুরু হওয়ায় দেশটিতে মানবিক সংকট আরও গভীর হয়েছে। নতুন করে বহু মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছেন।
২০১৪ সালে ইয়েমেনে গৃহযুদ্ধ শুরু হওয়ার পর ২০১৫ সালে হুথিদের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান শুরু করে সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট। ২০২২ সাল পর্যন্ত অভিযান চললেও হুথিদের নিয়ন্ত্রণ থেকে সরানো সম্ভব হয়নি। ওই বছর জাতিসংঘের মধ্যস্থতায় যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়েছিল। তবে চলতি বছরের জুলাইয়ে সেই সমঝোতা ভেঙে নতুন করে সংঘাত শুরু হয় বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।
সূত্র: টাইমস অব ইসরায়েল