
তাহসিফের মৃত্যুর ঘটনায় শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) রাতে রাজধানীর উত্তরখান থানায় অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের আসামি করে হত্যা মামলা করেন তার বাবা কে এম এনায়েতুল করিম। মামলাটি দায়েরের পর তদন্তের অংশ হিসেবে দীপকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়।
এর আগে গত মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) সন্ধ্যায় রাজধানীর উত্তরার বাসা থেকে বের হয়ে নিখোঁজ হন তাহসিফ। পরদিন বিকেলে তুরাগ নদ থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
পরিবারের সদস্যদের দাবি, বন্ধু দীপের ডাকে সাড়া দিয়েই সেদিন বাসা থেকে বের হয়েছিলেন তাহসিফ। নিখোঁজের পর দীপ গণমাধ্যমকে জানিয়েছিলেন, তাহসিফের মোটরসাইকেলে সমস্যা দেখা দেওয়ায় তারা একটি ওয়ার্কশপে যান। মেরামত শেষে একসঙ্গে খাবার খেয়ে দুজন আলাদা হয়ে যান।
তবে ঘটনার তদন্তে বৃহস্পতিবার রাতে রাজধানীর মোহাম্মদপুর এলাকা থেকে দীপকে হেফাজতে নেয় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। পরদিন শুক্রবার তাকে নিয়ে টঙ্গীর তুরাগ নদসংলগ্ন মাজার বস্তি এলাকায় অভিযান চালায় পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (পিবিআই)। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ওই এলাকা থেকে নম্বরপ্লেটবিহীন তাহসিফের মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়।
পিবিআইয়ের ভাষ্য অনুযায়ী, জিজ্ঞাসাবাদে দীপ দাবি করেছেন, ঘটনার রাতে তিনি ও তাহসিফ তুরাগ নদসংলগ্ন এলাকায় গিয়েছিলেন। সেখানে কয়েকজন তাদের ধাওয়া করলে তাহসিফ নদীতে ঝাঁপ দেন। তবে দীপের দেওয়া এ বক্তব্যের সত্যতা স্বাধীনভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
শুক্রবার রাতে পিবিআই দীপকে নৌ পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে। তাহসিফের মৃত্যুর ঘটনায় মামলা হওয়ার আগ থেকেই নৌ পুলিশ তদন্ত চালিয়ে আসছিল। পাশাপাশি পিবিআইও ছায়া তদন্ত শুরু করে।