
বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) ভোররাতে উপজেলার ৭ নম্বর দাউদপুর ইউনিয়নের মালদহ গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। ফলন্ত শিমগাছ কেটে ফেলার ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ ও চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক হাফিজুল ইসলাম জানান, ২৫ শতাংশ জমিতে তিনি ৬০০টি শিমগাছ চাষ করেছিলেন। ফসল উৎপাদনে তাঁর প্রায় ৬০ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। গাছগুলোতে ইতিমধ্যে ভালো ফলনও এসেছিল। বর্তমান বাজারদরে শিম বিক্রি করতে পারলে প্রায় ৩ লাখ টাকা আয় হতো বলে আশা করেছিলেন তিনি। এ অর্থ দিয়ে পরিবারের আর্থিক চাহিদা মেটানোর পরিকল্পনা ছিল তাঁর। কিন্তু রাতের আঁধারে দুর্বৃত্তরা গাছগুলো কেটে ফেলায় তাঁর সেই স্বপ্ন ভেঙে গেছে।
ঘটনার নিন্দা জানিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা শরিয়ত ইসলাম বলেন, “একজন কৃষক অনেক কষ্ট ও পরিশ্রম করে মাঠে ফসল ফলান। রাতের আঁধারে এভাবে ফলন্ত গাছ কেটে ফেলা অত্যন্ত বর্বরোচিত ও দুঃখজনক। আমরা প্রশাসনের কাছে এর সুষ্ঠু তদন্ত ও জড়িত ব্যক্তিদের দ্রুত শাস্তির দাবি জানাই।”
স্থানীয় আরেক বাসিন্দা রাহেনা বেগম বলেন, “কৃষকের ফসলই তাঁর আয়ের অন্যতম উৎস। এমন ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে প্রশাসনের দ্রুত ও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন।”
এ বিষয়ে নবাবগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল কুদ্দুস জানান, মালদহ গ্রামে কৃষক হাফিজুল ইসলামের শিমগাছ কেটে ফেলার বিষয়ে লিখিত অভিযোগ পেলে গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হবে। এ ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করা গেলে তাঁদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।