খুলনা সদর থানার চাঞ্চল্যকর তাওহিদুল ইসলাম তুষার হত্যা মামলার তদন্তে পাওয়া সন্দেহভাজন আসামি আরিফকে গ্রেপ্তার করেছে এসআরবি-৬, স্পেশাল কোম্পানি। বুধবার (২৮ অক্টোবর) বিকেল ৫টার দিকে খুলনা সদর থানার উত্তর টুটপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পক্ষ থেকে আরিফকে ‘বি কোম্পানি’র সক্রিয় সদস্য বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
এসআরবি-৬, স্পেশাল কোম্পানির দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাদের একটি আভিযানিক দল উত্তর টুটপাড়া এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় তুষার হত্যা মামলার তদন্তে পাওয়া সন্দেহভাজন আসামি আরিফকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাঁর বাবার নাম বেলাল খান। তিনি খুলনা সদর থানার টুটপাড়া এলাকার ফরিদ মোল্লার মোড়ের বাসিন্দা।
মামলার এজাহার অনুযায়ী, গত ২২ অক্টোবর তাওহিদুল ইসলাম তুষার মোটরসাইকেলে করে খুলনা সদর থানার পূর্ব বানিয়াখামার এলাকার বি কে মেইন রোড থেকে মিস্ত্রিপাড়া বাজারগামী আনসার উদ্দিন সড়কের দিকে যাচ্ছিলেন। পথে আমিনুল ইসলাম অটোরিকশা গ্যারেজের সামনে পৌঁছালে আগে থেকে ওত পেতে থাকা অজ্ঞাতপরিচয় হামলাকারীরা তাঁকে লক্ষ্য করে এলোপাতাড়ি গুলি চালায়।
এতে তুষারের বুকের বাম পাশে, বগলের নিচে গুলি লাগে। গুরুতর আহত হয়ে ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয়।
এ ঘটনায় খুলনা সদর থানায় কর্মরত উপপরিদর্শক (এসআই) মো. শাহ আলম খান বাদী হয়ে মামলা করেন। মামলায় ১৫ থেকে ১৬ জন অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিকে আসামি করা হয়। ঘটনাস্থল থেকে গুলির ব্যবহৃত কার্তুজের অংশবিশেষ পাওয়ায় হত্যা মামলার পাশাপাশি অস্ত্র আইনে মামলা করা হয় বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।
এসআরবি-৬, স্পেশাল কোম্পানির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, গ্রেপ্তার আরিফকে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের (কেএমপি) খুলনা সদর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
তবে তুষার হত্যাকাণ্ডে আরিফের সুনির্দিষ্ট ভূমিকা, মামলার অন্য আসামিদের পরিচয় এবং হত্যার পেছনের কারণ সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য তাৎক্ষণিকভাবে জানানো হয়নি। তদন্ত শেষে এসব বিষয়ে আরও তথ্য পাওয়া যেতে পারে।