প্লাস্টিক দূষণে হুমকিতে সুন্দরবন, বাড়িতে বাড়িতে বর্জ্য আলাদা করার আহ্বান

কয়রা (খুলনা) সংবাদদাতা

সারাদেশ

নদী-খাল ও জলাশয়ে প্লাস্টিক-পলিথিনের দূষণ সুন্দরবনের পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্যের জন্য মারাত্মক হুমকি হয়ে উঠছে। এ দূষণ কমাতে ঘর থেকেই বর্জ্য

2026-10-28T17:02:07+00:00
2026-10-28T17:02:07+00:00
  বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬,
১৩ কার্তিক ১৪৩৩
 
বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬
সারাদেশ
প্লাস্টিক দূষণে হুমকিতে সুন্দরবন, বাড়িতে বাড়িতে বর্জ্য আলাদা করার আহ্বান
কয়রা (খুলনা) সংবাদদাতা
বুধবার, ২৮ অক্টোবর, ২০২৬, ৫:০২ পিএম 
সংগৃহীত ছবি
নদী-খাল ও জলাশয়ে প্লাস্টিক-পলিথিনের দূষণ সুন্দরবনের পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্যের জন্য মারাত্মক হুমকি হয়ে উঠছে। এ দূষণ কমাতে ঘর থেকেই বর্জ্য ব্যবস্থাপনা শুরু করার আহ্বান জানিয়েছেন পরিবেশসংশ্লিষ্টরা। তাঁরা বলেছেন, প্রতিটি বাড়িতে ব্যবহৃত প্লাস্টিক বর্জ্য আলাদাভাবে সংরক্ষণ করে নির্দিষ্ট ব্যবস্থার মাধ্যমে সংগ্রহ ও নিরাপদে অপসারণ নিশ্চিত করতে হবে।

বুধবার (২৮ অক্টোবর) বেলা ১১টায় খুলনার কয়রা উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে ‘সুন্দরবনের পরিবেশ ও প্রতিবেশের উন্নয়ন এবং দূষণ হ্রাস’ শীর্ষক কর্মশালায় বক্তারা এসব কথা বলেন। বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা রূপান্তরের সহযোগিতায় কর্মশালার আয়োজন করে ইয়ুথ ফর সুন্দরবন, কয়রা।

সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক রাসেল আহম্মেদের সঞ্চালনায় কর্মশালায় প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আব্দুল্লাহ-আল বাকী। বিশেষ অতিথি ছিলেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) শ্রাবণী বিশ্বাস, সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা সমীর কুমার সরকার, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা তিলক কুমার ঘোষ, সমাজসেবা কর্মকর্তা মো. আবুল কালাম আজাদ, যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা কে এম মফিজুর রহমান, জনস্বাস্থ্য কর্মকর্তা ইস্তিয়াক আহম্মেদ, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল জাবির এবং মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা রেশমা আক্তার।

এ ছাড়া সাংবাদিক রিয়াছাদ আলী, কামাল হোসেন ও ফরহাদ হোসেন, রূপান্তরের প্রকল্প কর্মকর্তা অনুপ রায়, এনজিও প্রতিনিধি মিজানুর রহমান, জান্নাতুল ফেরদৌস ও গাজী ফারুখ হোসেন এবং ইয়ুথ সদস্য আমিরুল ইসলাম, খাদিজা সুলতানা ও মুসলিমা খাতুনসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ কর্মশালায় অংশ নেন।

আলোচনায় বক্তারা বলেন, নদী, খাল ও জলাশয়ে প্লাস্টিক ও পলিথিন ফেলার ফলে এসব বর্জ্য পানির সঙ্গে সুন্দরবনে পৌঁছে পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্যের ক্ষতি করছে। এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্লাস্টিকের ব্যবহার কমানো, বাড়িতে বর্জ্য পৃথক করে রাখা এবং সঠিকভাবে সংগ্রহ ও অপসারণের ব্যবস্থা গড়ে তোলা জরুরি।

তাঁরা আরও বলেন, কেনাকাটায় পলিথিনের বিকল্প হিসেবে কাপড় ও পাটের ব্যাগ ব্যবহার করতে হবে। পাশাপাশি যত্রতত্র বর্জ্য ফেলা বন্ধে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, সামাজিক সংগঠন, ব্যবসায়ী ও জনপ্রতিনিধিদের সম্পৃক্ত করে জনসচেতনতা বাড়াতে হবে।

বক্তারা সুন্দরবনের পরিবেশ রক্ষায় স্থানীয় বাসিন্দা, প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর সমন্বিত উদ্যোগের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তাঁদের মতে, ঘরে ঘরে বর্জ্য পৃথকীকরণ ও দায়িত্বশীল ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা গেলে প্লাস্টিক দূষণ কমানোর প্রচেষ্টা আরও কার্যকর হবে।


Loading...
Loading...

সারাদেশ- এর আরো খবর

Loading...
Loading...
© 2026 Daily Daily Bhorer Dak
সম্পাদক ও প্রকাশক : কে.এম. বেলায়েত হোসেন
৪-ডি, মেহেরবা প্লাজা, ৩৩ তোপখানা রোড, ঢাকা-১০০০ থেকে প্রকাশিত এবং মনিরামপুর প্রিন্টিং প্রেস ৭৬/এ নয়াপল্টন, ঢাকা থেকে মুদ্রিত। পিএবিএক্স: ৪১০৫২২৪৫, ৪১০৫২২৪৬, ০১৭৭৫-৩৭১১৬৭, বিজ্ঞাপন ও সার্কুলেশন: ৪১০৫২২৫৮
ই-মেইল : [email protected], [email protected]
ফলো করুন: