ডেঙ্গু প্রতিরোধে সংশ্লিষ্ট সব দপ্তরকে সমন্বিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন জনপ্রশাসন ও খাদ্য মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো. আব্দুল বারি এমপি। তিনি এডিস মশার প্রজননস্থল ধ্বংস, বাসাবাড়ি ও আশপাশের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখা এবং জনসচেতনতা বাড়াতে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
মঙ্গলবার দুপুরে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে ডেঙ্গু প্রতিরোধে গৃহীত কার্যক্রম পর্যালোচনা এবং জেলার আইনশৃঙ্খলা ও উন্নয়ন সমন্বয়বিষয়ক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। জেলা প্রশাসনের আয়োজনে অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক আবু ছালেহ মো. মুসা জঙ্গী।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, জেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং উন্নয়ন কার্যক্রম যথাযথভাবে বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। সরকার গ্রামীণ জনপদের উন্নয়নে পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। পাশাপাশি জেলা হাসপাতালের জনবলসংকট নিরসনেও উদ্যোগ নেওয়া হবে।
সভায় জেলার ডেঙ্গু পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে চলমান কার্যক্রম পর্যালোচনা করা হয়। এডিস মশার প্রজননস্থল ধ্বংস, পরিচ্ছন্নতা অভিযান জোরদার, জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং ডেঙ্গু প্রতিরোধে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর কার্যক্রম আরও গতিশীল করার বিষয়ে আলোচনা হয়।
সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ-১ (শিবগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য ড. মো. কেরামত আলী, রাজশাহীর বিভাগীয় কমিশনার (ভারপ্রাপ্ত) ও অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (রাজস্ব) মো. রেজাউল আলম সরকার, চাঁপাইনবাবগঞ্জের পুলিশ সুপার গৌতম কুমার বিশ্বাস, ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. জমির মো. হাসিবুস সাত্তার, এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী হারুন-অর-রশিদ, জেলা বিএনপির সদস্যসচিব মো. রফিকুল ইসলাম এবং শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. হাকিমুল হাসান সিদ্দিকীসহ অন্যরা।
পুলিশ সুপার গৌতম কুমার বিশ্বাস তাঁর বক্তব্যে বলেন, জেলায় মাদক নির্মূলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সক্রিয় রয়েছে। কিশোর গ্যাংয়ের সদস্যদেরও চিহ্নিত করা হয়েছে। অপরাধপ্রবণতা কমানো এবং সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে বাহিনীর সদস্যরা কাজ করছেন।
সভায় জেলা প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা, বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান, সরকারি দপ্তরের প্রধান এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।