
কেইনের এই অর্জনে দীর্ঘ ২৫ বছরের অপেক্ষার অবসান হয়েছে ইংলিশ ফুটবলে। এর আগে ২০০১ সালে ব্যালন ডি’অর জিতেছিলেন ইংল্যান্ডের সাবেক স্ট্রাইকার মাইকেল ওয়েন। এবার কিংবদন্তি ব্রাজিলিয়ান ফুটবলার রোনালদো নাজারিওর হাত থেকে ট্রফি গ্রহণ করে নিজের ক্যারিয়ারে নতুন অধ্যায় যোগ করেন কেইন।
এবারের আয়োজনে একাধিক বিভাগে পুরস্কার জিতেছেন স্পেনের ফুটবলার ও কোচেরা। ছেলেদের সেরা উদীয়মান খেলোয়াড় নির্বাচিত হয়েছেন বার্সেলোনার তরুণ ফরোয়ার্ড লামিন ইয়ামাল। মেয়েদের বিভাগে একই স্বীকৃতি পেয়েছেন তাঁর ক্লাব সতীর্থ ভিকি লোপেস। গোলরক্ষকদের মধ্যে ছেলেদের ইয়াশিন ট্রফি জিতেছেন স্পেনের উনাই সিমন। মেয়েদের সেরা গোলরক্ষক হয়েছেন বার্সেলোনার কাতা কোল।
কোচিংয়েও সাফল্যের ছাপ রেখেছে স্পেন। ছেলেদের ফুটবলে সেরা কোচের পুরস্কার পেয়েছেন জাতীয় দলের কোচ লুইস দে লা ফুয়েন্তে। অন্যদিকে মেয়েদের ফুটবলে সেরা কোচ নির্বাচিত হয়েছেন বার্সেলোনার পেরে রোমেউ। ছেলেদের সেরা ক্লাবের স্বীকৃতি পেয়েছে প্যারিস সেইন্ট জার্মেই (পিএসজি), আর মেয়েদের বিভাগে পুরস্কার জিতেছে বার্সেলোনা।
ব্যক্তিগত ও দলীয় সাফল্যের পাশাপাশি বিশেষ স্বীকৃতিও দেওয়া হয়েছে এবারের অনুষ্ঠানে। সামাজিক ও মানবিক অবদানের জন্য দেওয়া সক্রেটিস পুরস্কার পেয়েছেন ইংল্যান্ডের বুকায়ো সাকা। মেয়েদের সেরা স্ট্রাইকার নির্বাচিত হয়েছেন মেক্সিকোর শার্লিন কোবরাল। সব মিলিয়ে এবারের ব্যালন ডি’অর আয়োজনে পুরুষ ও নারী ফুটবলের বিভিন্ন বিভাগে তারকা খেলোয়াড়, কোচ ও ক্লাবগুলোর সাফল্য উদ্যাপন করা হয়েছে।
ছেলেদের ব্যালন ডি’অর: হ্যারি কেইন (ইংল্যান্ড, বায়ার্ন মিউনিখ)
মেয়েদের ব্যালন ডি’অর: অ্যালেক্সিস পুতেয়া (স্পেন, লন্ডন সিটি লায়নেস)
ছেলেদের সেরা উদীয়মান খেলোয়াড়: লামিন ইয়ামাল (স্পেন, বার্সেলোনা)
মেয়েদের সেরা উদীয়মান খেলোয়াড়: ভিকি লোপেস (স্পেন, বার্সেলোনা)
ছেলেদের সেরা গোলরক্ষক: উনাই সিমন (স্পেন)
মেয়েদের সেরা গোলরক্ষক: কাতা কোল (বার্সেলোনা)
ছেলেদের সেরা কোচ: লুইস দে লা ফুয়েন্তে (স্পেন)
মেয়েদের সেরা কোচ: পেরে রোমেউ (বার্সেলোনা)
ছেলেদের সেরা ক্লাব: পিএসজি
মেয়েদের সেরা ক্লাব: বার্সেলোনা
ছেলেদের সেরা স্ট্রাইকার: হ্যারি কেইন (বায়ার্ন মিউনিখ)
মেয়েদের সেরা স্ট্রাইকার: শার্লিন কোবরাল (মেক্সিকো, পাচুয়া)
সক্রেটিস পুরস্কার: বুকায়ো সাকা (ইংল্যান্ড, আর্সেনাল)