মাত্র ১০ দিনেই কেঁপে উঠেছিল বিশ্ব! যে বিপ্লবে পতন হয় সাম্রাজ্যের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক

প্রথম বিশ্বযুদ্ধের ভয়াবহতা, রুটির জন্য মানুষের হাহাকার, অর্থনৈতিক বিপর্যয় আর রাজতন্ত্রের প্রতি জমে ওঠা ক্ষোভ—সব মিলিয়ে ১৯১৭ সালে রাশিয়া তখন

2026-10-25T20:43:08+00:00
2026-10-25T20:43:08+00:00
  সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬,
১০ কার্তিক ১৪৩৩
 
সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬
আন্তর্জাতিক
মাত্র ১০ দিনেই কেঁপে উঠেছিল বিশ্ব! যে বিপ্লবে পতন হয় সাম্রাজ্যের
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
রোববার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ৮:৪৩ পিএম 
সেন্ট পিটার্সবার্গে রেড অক্টোবর বিপ্লবের শতবর্ষ উদ্‌যাপনে রাশিয়ান কমিউনিস্ট পার্টির সমর্থকদের এক সমাবেশে সোভিয়েত রাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠাতা ভ্লাদিমির লেনিনের ভাস্কর্যের সামনে উড়ছে পতাকাছবি: রয়টার্স
প্রথম বিশ্বযুদ্ধের ভয়াবহতা, রুটির জন্য মানুষের হাহাকার, অর্থনৈতিক বিপর্যয় আর রাজতন্ত্রের প্রতি জমে ওঠা ক্ষোভ—সব মিলিয়ে ১৯১৭ সালে রাশিয়া তখন এক বিস্ফোরণের অপেক্ষায়। শতাব্দীপ্রাচীন রোমানভ রাজবংশের শাসন ভেঙে পড়েছে কয়েক মাস আগেই। কিন্তু নতুন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারও মানুষের আশা পূরণ করতে পারেনি। যুদ্ধ থামেনি, খাদ্যসংকট কাটেনি, জমির প্রশ্নেরও সমাধান হয়নি।

এই অস্থিরতার মধ্যেই ভ্লাদিমির ইলিচ লেনিনের নেতৃত্বে বলশেভিকরা রাষ্ট্রক্ষমতা দখলের পথে এগিয়ে যায়। পেত্রোগ্রাদের গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগব্যবস্থা ও সরকারি স্থাপনার নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার পর ১৯১৭ সালের অক্টোবরের শেষ দিকে তারা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে উৎখাত করে। ইতিহাসে ঘটনাটি পরিচিত ‘অক্টোবর বিপ্লব’ নামে। মার্কিন সাংবাদিক জন রিডের বিখ্যাত বই টেন ডেজ দ্যাট শুক দ্য ওয়ার্ল্ড এই ঘটনাপ্রবাহকে বিশ্বজুড়ে পরিচিত করে তোলে।

এটি কেবল একটি সরকারের পতন ছিল না। এর মধ্য দিয়ে শুরু হয় এমন এক রাজনৈতিক অধ্যায়, যা পরবর্তী সময়ে সমাজতন্ত্র, কমিউনিজম, শ্রমিক আন্দোলন, উপনিবেশবিরোধী সংগ্রাম এবং আন্তর্জাতিক ক্ষমতার ভারসাম্যে গভীর প্রভাব ফেলে। তবে বিপ্লবের প্রতিশ্রুতির পাশাপাশি এর উত্তরাধিকার বহন করে রাজনৈতিক দমন-পীড়ন, গৃহযুদ্ধ ও ক্ষমতা কেন্দ্রীভূত করার ইতিহাসও।

রাজপ্রাসাদের জৌলুসের আড়ালে জমছিল ক্ষোভ

বিংশ শতাব্দীর শুরুতে রাশিয়া ছিল বিশাল এক সাম্রাজ্য। দেশটির শাসনক্ষমতা কেন্দ্রীভূত ছিল জার দ্বিতীয় নিকোলাস ও রাজপরিবারের হাতে। ১৯১৩ সালে রোমানভ রাজবংশের ৩০০ বছর পূর্তি জাঁকজমকের সঙ্গে উদ্‌যাপিত হলেও সাম্রাজ্যের ভিতরে অসন্তোষ ক্রমেই বাড়ছিল।

গ্রামাঞ্চলে ভূমিসংকট ও দারিদ্র্য ছিল প্রকট। অন্যদিকে শিল্পায়নের ফলে শহরে শ্রমিকের সংখ্যা বাড়লেও দীর্ঘ কর্মঘণ্টা, কম মজুরি এবং অনিরাপদ কর্মপরিবেশ তাঁদের জীবনকে কঠিন করে তুলেছিল। রাজনৈতিক সংস্কারের দাবিও নতুন ছিল না। ১৯০৫ সালের বিপ্লব ও ‘রক্তাক্ত রবিবার’-এর ঘটনার পর জার নির্বাচিত আইনসভা দুমা গঠনে সম্মত হলেও প্রকৃত ক্ষমতার বড় অংশ রাজতন্ত্রের হাতেই থেকে যায়।

রাজপরিবারের ভাবমূর্তিও ক্ষতিগ্রস্ত হতে থাকে। জারের স্ত্রী আলেকজান্দ্রা ও রহস্যময় সাধু গ্রিগরি রাসপুটিনের প্রভাব নিয়ে নানা বিতর্ক রাজদরবারের প্রতি মানুষের সন্দেহ বাড়ায়। ১৯১৬ সালে রাসপুটিনকে হত্যা করা হলেও রাজতন্ত্রের সংকট কাটেনি।

প্রথম বিশ্বযুদ্ধেই ভেঙে পড়ে রাজতন্ত্রের ভিত

১৯১৪ সালে প্রথম বিশ্বযুদ্ধ শুরু হওয়ার পর রাশিয়ার অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক সংকট আরও গভীর হয়। যুদ্ধের ব্যয়, খাদ্য সরবরাহে বিঘ্ন, মূল্যবৃদ্ধি এবং যুদ্ধক্ষেত্রে বিপুল প্রাণহানি মানুষের জীবন দুর্বিষহ করে তোলে। সেনাবাহিনীর ব্যর্থতার দায়ও ক্রমে জার দ্বিতীয় নিকোলাসের ওপর এসে পড়ে।

১৯১৭ সালের ফেব্রুয়ারিতে পেত্রোগ্রাদে রুটির সংকট ও খাদ্যাভাবকে কেন্দ্র করে বিক্ষোভ শুরু হয়। নারী শ্রমিকদের আন্দোলন দ্রুত সাধারণ শ্রমিক ও নাগরিকদের বৃহত্তর গণবিক্ষোভে রূপ নেয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সেনা মোতায়েন করা হলেও সেনাদের একটি বড় অংশ বিক্ষোভকারীদের ওপর গুলি চালাতে অস্বীকৃতি জানায় এবং বিদ্রোহে যোগ দেয়।

শেষ পর্যন্ত জার দ্বিতীয় নিকোলাস সিংহাসন ত্যাগ করেন। তিন শতাব্দীর বেশি সময় ধরে রাশিয়া শাসন করা রোমানভ রাজবংশের অবসান ঘটে। তবে রাজতন্ত্রের পতন মানেই সংকটের সমাধান ছিল না—বরং শুরু হয় ক্ষমতার নতুন লড়াই।

‘শান্তি, জমি ও রুটি’—লেনিনের সাফল্যের চাবিকাঠি

জারতন্ত্রের পতনের পর গঠিত অন্তর্বর্তীকালীন সরকার রাশিয়াকে প্রথম বিশ্বযুদ্ধ থেকে সরিয়ে আনতে পারেনি। জমির পুনর্বণ্টন ও খাদ্যসংকট নিরসনের দাবিও অপূর্ণ থেকে যায়। একই সময়ে শ্রমিক ও সৈন্যদের কাউন্সিল বা ‘সোভিয়েত’ রাজনৈতিকভাবে শক্তিশালী হয়ে ওঠে। ফলে সরকার ও সোভিয়েতের মধ্যে কার্যত দ্বৈত ক্ষমতার পরিস্থিতি তৈরি হয়।

এই শূন্যতার সুযোগ নেন বলশেভিক নেতা লেনিন। ১৯১৭ সালের এপ্রিলে নির্বাসন থেকে রাশিয়ায় ফিরে তিনি অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের বিরুদ্ধে অবস্থান জোরদার করেন। তাঁর দল মানুষের কাছে তুলে ধরে তিনটি সরল কিন্তু শক্তিশালী দাবি—‘শান্তি, জমি ও রুটি’। পাশাপাশি স্লোগান ছিল, ‘সব ক্ষমতা সোভিয়েতের হাতে’।

যুদ্ধক্লান্ত সৈন্য, জমির প্রত্যাশায় থাকা কৃষক এবং বঞ্চিত শ্রমিকদের একাংশের কাছে এসব প্রতিশ্রুতি আকর্ষণীয় হয়ে ওঠে। তবে বলশেভিকদের জনপ্রিয়তা বাড়লেও পুরো রাশিয়ার জনসমর্থন তাদের হাতে ছিল—এমন বলা ঠিক হবে না। পরবর্তী গণপরিষদ নির্বাচনের ফলই সেই সীমাবদ্ধতা সামনে আনে।

কয়েক দিনের অভিযানে ক্ষমতার কেন্দ্র দখল

১৯১৭ সালের অক্টোবরের শুরুতে বলশেভিক নেতৃত্ব সশস্ত্র অভ্যুত্থানের প্রস্তুতি জোরদার করে। লিওন ট্রটস্কির নেতৃত্বাধীন সামরিক বিপ্লবী কমিটি পেত্রোগ্রাদে পরিকল্পনা বাস্তবায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

২৪ অক্টোবর থেকে বলশেভিক অনুগত বাহিনী রেলস্টেশন, সেতু, টেলিগ্রাফ অফিসসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনার নিয়ন্ত্রণ নিতে শুরু করে। পরদিন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের ক্ষমতা কার্যত ভেঙে পড়ে। শীতপ্রাসাদে অবস্থানরত সরকারপক্ষের মন্ত্রীরা গ্রেপ্তার হন। প্রধানমন্ত্রী আলেকসান্দার কেরেনস্কি পালিয়ে যেতে সক্ষম হন।

জনপ্রিয় কাহিনিতে শীতপ্রাসাদে বিপুলসংখ্যক বিপ্লবীর নাটকীয় আক্রমণের ছবি ফুটে উঠলেও ঐতিহাসিক বিবরণে দেখা যায়, ক্ষমতা দখলের ওই পর্যায়ে সরকারের প্রতিরোধ ছিল তুলনামূলকভাবে দুর্বল। পরবর্তী সময়ে বিপ্লবের নাটকীয় দৃশ্যায়ন ঘটনাটির জনপ্রিয় স্মৃতিকে আরও প্রভাবিত করে।

২৬ অক্টোবর বলশেভিক-প্রভাবিত দ্বিতীয় সর্ব-রাশিয়া সোভিয়েত কংগ্রেসে শান্তি ও ভূমি-সংক্রান্ত ডিক্রি গৃহীত হয় এবং লেনিনের নেতৃত্বে নতুন সরকার গঠিত হয়। এর মাধ্যমে রাশিয়ার ক্ষমতা বলশেভিকদের হাতে চলে যায়। তবে দেশের সব অঞ্চল তখনই তাদের নিয়ন্ত্রণে আসেনি; বিভিন্ন জায়গায় লড়াই চলতে থাকে।

তারিখের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়: সে সময় রাশিয়ায় প্রচলিত জুলিয়ান ক্যালেন্ডার অনুযায়ী ক্ষমতা দখলের প্রধান ঘটনাগুলো ঘটে ২৫ অক্টোবর। বর্তমান আন্তর্জাতিকভাবে প্রচলিত গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডারে দিনটি ৭ নভেম্বর ১৯১৭। এ কারণেই একই বিপ্লবের ক্ষেত্রে অক্টোবর ও নভেম্বর—দুই ধরনের তারিখ দেখা যায়।

নির্বাচনে ধাক্কা, তারপর গৃহযুদ্ধ

ক্ষমতা দখলের পর বলশেভিকদের সামনে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ ছিল নতুন শাসনব্যবস্থাকে প্রতিষ্ঠিত করা। ১৯১৭ সালের নভেম্বরে অনুষ্ঠিত গণপরিষদ নির্বাচনে সোশ্যালিস্ট-রেভোলিউশনারি পার্টি বলশেভিকদের চেয়ে বেশি ভোট পায়। বলশেভিকরা সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করতে পারেনি।

১৯১৮ সালের জানুয়ারিতে গণপরিষদ বলশেভিক নেতৃত্বের সঙ্গে সংঘাতে জড়ালে লেনিনের সরকার সেটি ভেঙে দেয়। এ সিদ্ধান্ত রাজনৈতিক বিরোধ আরও তীব্র করে। পরবর্তী সময়ে ১৯১৮ থেকে ১৯২১ সালের মধ্যে রাশিয়া ভয়াবহ গৃহযুদ্ধে জড়িয়ে পড়ে। একদিকে ছিল বলশেভিকদের লাল ফৌজ, অন্যদিকে রাজতন্ত্রপন্থী, উদারপন্থী ও বিভিন্ন বলশেভিকবিরোধী শক্তির সমন্বয়ে গড়ে ওঠা শ্বেত বাহিনী।

গৃহযুদ্ধ, দুর্ভিক্ষ, রাজনৈতিক দমন-পীড়ন এবং অর্থনৈতিক বিপর্যয়ে দেশ বিপুল মূল্য দেয়। বলশেভিকরা শেষ পর্যন্ত যুদ্ধে জয়ী হলেও রাজনৈতিক বহুত্ববাদ সংকুচিত হতে থাকে এবং রাষ্ট্রক্ষমতা ক্রমে একদলীয় কাঠামোয় কেন্দ্রীভূত হয়।

জন্ম নেয় সোভিয়েত ইউনিয়ন, বদলে যায় বিশ্বরাজনীতি

১৯২২ সালের ৩০ ডিসেম্বর রাশিয়া, ইউক্রেন, বেলারুশ ও ট্রান্সককেশীয় অঞ্চলের প্রজাতন্ত্রগুলোকে নিয়ে গঠিত হয় সোভিয়েত ইউনিয়ন—ইউএসএসআর। পরবর্তী দশকগুলোতে দেশটি দ্রুত শিল্পায়ন, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে অগ্রগতি এবং শিক্ষাবিস্তারের মাধ্যমে বিশ্বশক্তিতে পরিণত হয়। মহাকাশে স্পুটনিক-১ পাঠানো ও ইউরি গ্যাগারিনের মহাকাশযাত্রা সোভিয়েত সক্ষমতার প্রতীক হয়ে ওঠে।

কিন্তু এই অগ্রগতির পাশাপাশি বিশেষ করে জোসেফ স্তালিনের শাসনামলে রাজনৈতিক শুদ্ধি অভিযান, জোরপূর্বক সমবায়ীকরণ, শ্রমশিবির ও ব্যাপক দমন-পীড়নের ভয়াবহ ইতিহাসও তৈরি হয়। ফলে অক্টোবর বিপ্লবের উত্তরাধিকার একমাত্রিক নয়—এর মধ্যে সামাজিক পরিবর্তনের আকাঙ্ক্ষা যেমন আছে, তেমনি কর্তৃত্ববাদী শাসনের পরিণতিও রয়েছে।

বিপ্লবের প্রভাব রাশিয়ার সীমানা ছাড়িয়ে ছড়িয়ে পড়ে ইউরোপ, এশিয়া, আফ্রিকা ও লাতিন আমেরিকায়। বিভিন্ন দেশে কমিউনিস্ট পার্টি গড়ে ওঠে; শ্রমিক আন্দোলন ও সাম্রাজ্যবাদবিরোধী রাজনীতিতে নতুন ভাষা ও অনুপ্রেরণা যুক্ত হয়। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর যুক্তরাষ্ট্র ও সোভিয়েত ইউনিয়নের মধ্যে যে স্নায়ুযুদ্ধ গড়ে ওঠে, তার আদর্শগত পটভূমি নির্মাণেও ১৯১৭ সালের বিপ্লব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

১৯৯১ সালে সোভিয়েত ইউনিয়নের পতনের মধ্য দিয়ে সেই রাষ্ট্রের অবসান ঘটে। কিন্তু অক্টোবর বিপ্লবের প্রশ্নগুলো আজও ইতিহাসের আলোচনায় ফিরে আসে: সামাজিক বৈষম্য কত দূর পর্যন্ত রাজনৈতিক ব্যবস্থাকে নাড়িয়ে দিতে পারে? জনগণের মুক্তির প্রতিশ্রুতি নিয়ে ক্ষমতায় আসা একটি আন্দোলন কীভাবে নিজেই কর্তৃত্ববাদী শাসনে পরিণত হতে পারে? আর যুদ্ধ, অর্থনৈতিক দুর্দশা ও রাজনৈতিক অচলাবস্থা কীভাবে একটি দেশের ইতিহাসকে নতুন পথে ঠেলে দেয়?

১৯১৭ সালের সেই কয়েকটি দিন তাই শুধু রাশিয়ার ক্ষমতার পালাবদল নয়; আধুনিক বিশ্বের রাজনৈতিক ইতিহাসের এক মোড় ঘোরানো অধ্যায়।


Loading...
Loading...

আন্তর্জাতিক- এর আরো খবর

Loading...
Loading...
© 2026 Daily Daily Bhorer Dak
সম্পাদক ও প্রকাশক : কে.এম. বেলায়েত হোসেন
৪-ডি, মেহেরবা প্লাজা, ৩৩ তোপখানা রোড, ঢাকা-১০০০ থেকে প্রকাশিত এবং মনিরামপুর প্রিন্টিং প্রেস ৭৬/এ নয়াপল্টন, ঢাকা থেকে মুদ্রিত। পিএবিএক্স: ৪১০৫২২৪৫, ৪১০৫২২৪৬, ০১৭৭৫-৩৭১১৬৭, বিজ্ঞাপন ও সার্কুলেশন: ৪১০৫২২৫৮
ই-মেইল : [email protected], [email protected]
ফলো করুন: