
সিরিজের প্রথম ম্যাচে জিম্বাবুয়ের কাছে ৯৯ রানে হারে বাংলাদেশ। ২৭২ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ১৭২ রানেই গুটিয়ে যায় দলের ইনিংস। এই পরাজয়ে বাংলাদেশের নেট রান রেট দাঁড়ায় মাইনাস ১.৯৮০-এ। অন্যদিকে, ১৯ অক্টোবর জিম্বাবুয়েকে ১৫৮ রানে হারিয়ে ফাইনালে ওঠার দৌড়ে নিজেদের অবস্থান শক্ত করেছে আফগানিস্তান।
এ পরিস্থিতিতে গ্রুপ পর্বে বাংলাদেশের শেষ ম্যাচটি হয়ে উঠেছে কার্যত বাঁচা-মরার লড়াই। ফাইনালে যাওয়ার আশা জিইয়ে রাখতে হলে আফগানদের বিপক্ষে বড় ব্যবধানে জিততে হবে। হিসাব অনুযায়ী, আগে ব্যাটিং করলে অন্তত ৪১ রানের ব্যবধানে জয় পেতে হবে বাংলাদেশকে।
তবে রান তাড়া করার সুযোগ পেলে জয়ের ব্যবধানের বদলে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে কত দ্রুত লক্ষ্য অতিক্রম করা যায়। প্রতিপক্ষের সংগ্রহের ওপর নির্ভর করে নির্ধারিত সময়ের আগেই ম্যাচ শেষ করতে হবে টাইগারদের। হিসাব অনুযায়ী, ২০০ রানের লক্ষ্য পেলে ৪০.২ ওভারের মধ্যে জয় নিশ্চিত করতে হবে। ২২০ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে হবে ৪০.৫ ওভারে, ২৪০ রানের লক্ষ্য ৪১.১ ওভারে এবং ২৫০ রানের লক্ষ্য ৪১.৩ ওভারের মধ্যে।
একইভাবে, ২৬০ রানের লক্ষ্য পেলে ৪১.৪ ওভার, ২৭০ রানের লক্ষ্য পেলে ৪১.৫ ওভার, ২৮০ রানের লক্ষ্য পেলে ৪২ ওভার এবং ৩০০ রানের লক্ষ্য পেলে ৪২.২ ওভারের মধ্যে ম্যাচ শেষ করতে হবে বাংলাদেশকে।
অর্থাৎ, ব্যাটিং কিংবা বোলিং—দুই ক্ষেত্রেই হিসাব কষে এগোতে হবে বাংলাদেশকে। আগে ব্যাটিংয়ে নামলে বড় সংগ্রহ গড়ার পাশাপাশি প্রতিপক্ষকে কম রানে আটকে রাখার চ্যালেঞ্জ থাকবে। আর রান তাড়া করতে নামলে উইকেট ধরে রেখে দ্রুত রান তোলার চাপ সামলাতে হবে ব্যাটারদের।
তিন দলের এই প্রতিযোগিতায় লিগ পর্বে প্রতিটি দল অপর দুই দলের বিপক্ষে একটি করে ম্যাচ খেলছে। লিগ শেষে পয়েন্ট তালিকার শীর্ষ দুই দল উঠবে ফাইনালে। আগামী ২৩ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হবে শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচ।
জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে বড় হারের পর বাংলাদেশের সামনে এখন সমীকরণ একটাই—আফগানিস্তানকে হারানোর পাশাপাশি নেট রান রেটের হিসাব নিজেদের পক্ষে নেওয়া। সেই কঠিন চ্যালেঞ্জ উতরে ফাইনালে জায়গা করে নিতে হলে ব্যাটিং ও বোলিং—দুই বিভাগেই নিজেদের সেরাটা দিতে হবে টাইগারদের।