
এই জয়ে দ্বিতীয় স্থানে থাকা আতলেতিকো মাদ্রিদের সঙ্গে বার্সার পয়েন্ট ব্যবধান দাঁড়িয়েছে পাঁচ। এক ম্যাচ কম খেলা রিয়াল মাদ্রিদের চেয়ে তারা এগিয়ে নয় পয়েন্টে।
ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে থাকে বার্সেলোনা। দশম মিনিটেই লামিনে ইয়ামালের দুর্দান্ত গোলে এগিয়ে যায় তারা। বক্সের বাইরে বল পেয়ে এক ডিফেন্ডারকে চমৎকার বল রোল ও ফ্লিকে কাটিয়ে ডান পায়ের শটে বেটিস গোলরক্ষক আলভারো ভালেসকে পরাস্ত করেন তরুণ এই ফরোয়ার্ড।
২৭ মিনিটে অবশ্য ম্যাচে সমতা ফেরায় বেটিস। ফোরনালসের ক্রস থেকে হেডে গোল করেন ভ্যালেন্টিন গোমেজ।
তবে বিরতির ঠিক আগে আবার এগিয়ে যায় বার্সা। ফেরমিন লোপেজের কর্নার থেকে উড়ে আসা বলে ৪১ মিনিটে হেড করে গোল করেন রদ্রি। বার্সায় যোগ দেওয়ার পর এটাই ছিল তাঁর প্রথম গোল।
প্রথমার্ধে বেটিসও আরও একবার জালে বল পাঠিয়েছিল। জিওভানি লো সেলসোর দূরপাল্লার শট গোল হলেও আক্রমণের শুরুতে হ্যান্ডবলের কারণে সেটি বাতিল হয়।
দ্বিতীয়ার্ধে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ আরও শক্ত হাতে নেয় বার্সেলোনা। অফসাইডের কারণে গ্যাব্রিয়েল জেসুসের একটি গোল বাতিল হলেও কিছুক্ষণ পর ইয়ামালের দুর্দান্ত পাস থেকে ফাঁকা জালে বল পাঠিয়ে ব্যবধান ৩-১ করেন জেসুস।
বেটিস দ্রুতই পাল্টা জবাব দেয়। দ্রুতগতির প্রতি-আক্রমণ থেকে আবদে এজজালজুলি গোল করে ব্যবধান ৩-২ করেন।
এরপরই ম্যাচে উত্তেজনা ছড়ায়। ইয়ামালের সঙ্গে সংঘর্ষের পর বার্নাল তাঁকে ধরে টানেন এবং মাথা দিয়ে আঘাত করার ভঙ্গি করেন। ঘটনায় সরাসরি লাল কার্ড দেখিয়ে তাঁকে মাঠ থেকে বের করে দেন রেফারি। ফলে ম্যাচের শেষ ৪০ মিনিট ১০ জন নিয়ে খেলতে হয় বেটিসকে।
একজন কমে যাওয়ার সুযোগ কাজে লাগাতে দেরি করেনি বার্সা। ইয়ামালের ফ্রি-কিক প্রতিহত হওয়ার পর বল পান পাউ কুবারসি। তাঁর পাস থেকে কাছ থেকে গোল করে ব্যবধান ৪-২ করেন এরিক গার্সিয়া।
শেষ ১০ মিনিটে আরও একবার বেটিসের জালে বল পাঠায় বার্সেলোনা। পেনাল্টি বক্সের প্রান্ত থেকে নিখুঁত শটে গোল করেন বদলি হিসেবে নামা দানি ওলমো।
শেষ পর্যন্ত ৫-২ গোলের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে বার্সেলোনা। ইয়ামালের গোল ও অ্যাসিস্ট, রদ্রির প্রথম গোল এবং শেষ দিকে ওলমোর গোলে দারুণ এক জয় তুলে নিয়ে লা লিগার শীর্ষস্থান আরও শক্ত করল কাতালান ক্লাবটি।