যে স্বপ্ন বুকে নিয়ে চলে গেলেন আইয়ুব বাচ্চু

বিনোদন ডেস্ক

বিনোদন

গিটার হাতে বিশাল এক মঞ্চে দাঁড়িয়ে আছেন আইয়ুব বাচ্চু। সামনে ১৫ লাখ দর্শক। দেশি-বিদেশি খ্যাতিমান সংগীতশিল্পীদের পরিবেশনায় মুখর চারপাশ। গিটারের

2026-10-18T16:54:17+00:00
2026-10-18T16:55:03+00:00
  রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬,
২ কার্তিক ১৪৩৩
 
রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬
বিনোদন
যে স্বপ্ন বুকে নিয়ে চলে গেলেন আইয়ুব বাচ্চু
বিনোদন ডেস্ক
রোববার, ১৮ অক্টোবর, ২০২৬, ৪:৫৪ পিএম  আপডেট: ১৮.১০.২০২৬ ৪:৫৫ পিএম
আইয়ুব বাচ্চু বিশ্বাস করতেন, দেশের তরুণেরাই বাংলাদেশকে পৃথিবীর সর্বশ্রেষ্ঠ জায়গায় নিয়ে যাবেছবি : সংগৃহীত
গিটার হাতে বিশাল এক মঞ্চে দাঁড়িয়ে আছেন আইয়ুব বাচ্চু। সামনে ১৫ লাখ দর্শক। দেশি-বিদেশি খ্যাতিমান সংগীতশিল্পীদের পরিবেশনায় মুখর চারপাশ। গিটারের সুরে একাকার হয়ে গেছে লাখো মানুষের উচ্ছ্বাস। এমনই এক স্বপ্ন বুকে লালন করেছিলেন বাংলাদেশের ব্যান্ডসংগীতের কিংবদন্তি আইয়ুব বাচ্চু। তাঁর ইচ্ছা ছিল, ঢাকার মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে আয়োজন করবেন বিশাল এক কনসার্ট। যেখানে একই মঞ্চে গান গাইবেন দেশ-বিদেশের নামী শিল্পীরা, আর গিটার হাতে দর্শকদের মাতাবেন তিনি নিজেই।

কিন্তু সেই স্বপ্ন আর বাস্তবে রূপ নেয়নি। শুধু ১৫ লাখ দর্শকের কনসার্টই নয়, নতুন গিটারবাদকদের নিয়ে প্রতিযোগিতা আয়োজন, নিজের সংগ্রহের গিটার তরুণদের হাতে তুলে দেওয়া এবং একটি গিটার স্কুল প্রতিষ্ঠার ইচ্ছাও ছিল তাঁর। নতুন প্রজন্মের মধ্যে সংগীতচর্চা ছড়িয়ে দেওয়ার যে আকাঙ্ক্ষা তিনি লালন করতেন, সেসব পরিকল্পনার অনেক কিছুই রয়ে গেছে অসমাপ্ত।

২০১৮ সালের ১৮ অক্টোবর মাত্র ৫৬ বছর বয়সে থেমে যায় আইয়ুব বাচ্চুর জীবনের পথচলা। দেখতে দেখতে পেরিয়ে গেছে আট বছর। সময়ের ব্যবধানে তিনি নেই, কিন্তু রয়ে গেছে তাঁর গান, গিটারের জাদুকরি সুর আর অপূর্ণ স্বপ্নের গল্প। আজও তাঁর কণ্ঠে গাওয়া ‘সেই তুমি’, ‘চলো বদলে যাই’, ‘রুপালি গিটার’ কিংবা ‘এখন অনেক রাত’ শুনে আবেগে ভাসেন অসংখ্য শ্রোতা। তাঁর গিটারের সুরে মুগ্ধ নতুন প্রজন্মও। কিন্তু যে মানুষটি সংগীতকে ঘিরে আরও বড় কিছু করতে চেয়েছিলেন, তাঁর সেই স্বপ্নগুলো কতটা বাস্তবায়িত হয়েছে—প্রশ্নটি থেকেই যায়।

গিটার ছিল তাঁর ভালোবাসা, নতুনদের নিয়ে ছিল বড় স্বপ্ন

আইয়ুব বাচ্চুর কাছে গিটার শুধু একটি বাদ্যযন্ত্র ছিল না; এটি ছিল তাঁর আত্মপ্রকাশের ভাষা, ভালোবাসা ও জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ। মঞ্চে গিটার হাতে উঠলেই যেন বদলে যেত তাঁর পুরো সত্তা। কখনো দ্রুত লয়ের ঝংকারে দর্শকদের মাতিয়ে তুলতেন, কখনো গিটারের দীর্ঘ একক পরিবেশনায় তৈরি করতেন অন্য রকম আবহ। এ কারণেই তিনি পরিচিতি পেয়েছিলেন বাংলাদেশের অন্যতম সেরা গিটারবাদক হিসেবে।

তবে নিজের প্রতিভা আর সাফল্যের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকতে চাননি এই শিল্পী। তাঁর ইচ্ছা ছিল, নতুন প্রজন্মের গিটারবাদকেরা যেন নিজেদের প্রতিভা বিকাশের সুযোগ পান। এ জন্য তরুণদের নিয়ে একটি গিটার প্রতিযোগিতা আয়োজনের পরিকল্পনা করেছিলেন তিনি। বিজয়ীদের পুরস্কার হিসেবে দিতে চেয়েছিলেন নিজের সংগ্রহে থাকা গিটারগুলো। যে গিটারগুলো হাতে নিয়ে বছরের পর বছর মঞ্চ মাতিয়েছেন, সেগুলোই একদিন নতুন শিল্পীদের অনুপ্রেরণা হয়ে উঠুক—এমন ভাবনা ছিল তাঁর।

কিন্তু প্রয়োজনীয় পৃষ্ঠপোষকতা না পাওয়ায় সেই উদ্যোগ আর বাস্তবায়িত হয়নি। একইভাবে একটি গিটার স্কুল প্রতিষ্ঠার স্বপ্নও ছিল তাঁর। সেখানে শুধু গিটার নয়, অন্য বাদ্যযন্ত্র শেখারও সুযোগ থাকবে। তরুণেরা নিয়মিত প্রশিক্ষণ নিয়ে নিজেদের দক্ষতা বাড়াতে পারবেন, সংগীতকে পেশা হিসেবে নেওয়ার প্রস্তুতি নিতে পারবেন—এমন একটি পরিবেশ গড়ে তুলতে চেয়েছিলেন তিনি।

আজ আইয়ুব বাচ্চু বেঁচে থাকলে হয়তো তাঁর সেই স্বপ্নের স্কুলে নতুন কোনো কিশোর গিটারের তারে প্রথম হাত রাখত। হয়তো তাঁর কাছ থেকেই শিখত সুরের মায়া, অনুশীলনের গুরুত্ব আর সংগীতের প্রতি একনিষ্ঠ থাকার পাঠ। কিন্তু বাস্তবতা হলো, তাঁর সেই পরিকল্পনাগুলো আজও স্মৃতির পাতায় আটকে আছে।

১৫ লাখ দর্শকের সামনে দাঁড়ানোর আকাঙ্ক্ষা

আইয়ুব বাচ্চুর স্বপ্নের কনসার্টের পরিকল্পনা ছিল ব্যতিক্রমী। ঢাকার মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে বিশাল এক মঞ্চ, সেখানে দেশি-বিদেশি শিল্পীদের অংশগ্রহণ এবং দর্শক-শ্রোতার ঢল—সব মিলিয়ে আয়োজনটি হতে পারত বাংলাদেশের সংগীতাঙ্গনের অন্যতম স্মরণীয় ঘটনা।

এক আড্ডায় নিজের সেই স্বপ্নের কথা জানিয়েছিলেন আইয়ুব বাচ্চু। বিদেশি শিল্পীদের মধ্যে তাঁর পছন্দের তালিকায় ছিলেন মার্কিন গায়ক ও গিটারবাদক স্টিভ ভাই, জো সাত্রানি ও কার্লোস সান্টানা। ব্রিটিশ ড্রামার আয়েন পেজের কথাও বলেছিলেন তিনি। দেশীয় শিল্পীদের মধ্যে রাখতে চেয়েছিলেন জেমস, বেজবাবা সুমন ও মানাম আহমেদকে।

স্বপ্নের আয়োজনটি নিয়ে তাঁর কল্পনা ছিল আরও বড়। আইয়ুব বাচ্চু বলেছিলেন, ‘আমরা একটা স্লট বাজাব, ঘণ্টা তিনেক ধরে। আর দর্শক থাকবে ১৫ লাখ। তাহলে সেটা হবে স্বপ্নের কনসার্ট।’

কথাগুলোর মধ্যে ছিল একজন সংগীতশিল্পীর বিশাল আয়োজনের আকাঙ্ক্ষা, নিজের সংগীতকে আরও বড় পরিসরে ছড়িয়ে দেওয়ার স্বপ্ন। কিন্তু পরিকল্পনাটি বাস্তবায়নের আগেই চলে যেতে হয় তাঁকে। সেই মঞ্চ আর তৈরি হয়নি, ১৫ লাখ দর্শকের সামনে গিটার হাতে দাঁড়ানোও হয়নি তাঁর।

আজও তাই মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে এমন একটি কনসার্টের কল্পনা করলে মনে পড়ে যায় আইয়ুব বাচ্চুর কথা। মনে হয়, তিনি বেঁচে থাকলে হয়তো একদিন সত্যিই গিটার হাতে দাঁড়িয়ে যেতেন লাখো মানুষের সামনে। গিটারের সুরে একাকার হয়ে যেত মঞ্চ আর দর্শকসারি।

চট্টগ্রাম থেকে এলআরবি, তারপর সংগীতের ইতিহাসে

১৯৬২ সালের ১৬ আগস্ট চট্টগ্রামে জন্ম আইয়ুব বাচ্চুর। ছোটবেলা থেকেই সংগীতের প্রতি তাঁর গভীর টান ছিল। বাবার কাছ থেকে প্রথম গিটার পাওয়ার পর শুরু হয় নিয়মিত অনুশীলন। বিটিভিতে নয়ন মুন্সীর গিটার বাজানো দেখেও তাঁর আগ্রহ বেড়েছিল। ধীরে ধীরে নিজের চেষ্টায় গিটার বাজানোর দক্ষতা অর্জন করেন তিনি।

সংগীতজীবনের শুরুতে বিভিন্ন ব্যান্ডের সঙ্গে কাজ করেছেন আইয়ুব বাচ্চু। পরে যুক্ত হন ‘সোলস’ ব্যান্ডে। সেখানে গিটারবাদক হিসেবে নিজের স্বতন্ত্র পরিচিতি গড়ে তোলেন। এরপর ১৯৯১ সালের ৫ এপ্রিল প্রতিষ্ঠা করেন নিজের ব্যান্ড ‘লিটল রিভার ব্যান্ড’—সংক্ষেপে এলআরবি। পরবর্তী সময়ে ব্যান্ডটির নামের পূর্ণরূপ হয় ‘লাভ রানস ব্লাইন্ড’।

এলআরবির সঙ্গে তাঁর পথচলা বাংলা ব্যান্ডসংগীতকে দিয়েছে নতুন মাত্রা। তাঁর কণ্ঠ, সুর ও গিটারবাদন একসঙ্গে তৈরি করেছিল স্বতন্ত্র এক সংগীতভাষা। ‘সেই তুমি’, ‘চলো বদলে যাই’, ‘কষ্ট পেতে ভালোবাসি’, ‘রুপালি গিটার’, ‘ফেরারি মন’ ও ‘এখন অনেক রাত’-এর মতো গান শ্রোতাদের মনে স্থায়ী জায়গা করে নিয়েছে।

রকসংগীতের তীব্রতা, ব্লুজের বিষণ্নতা আর সুরের মাধুর্য—সব মিলিয়ে আইয়ুব বাচ্চুর গিটারবাদন ছিল আলাদা বৈশিষ্ট্যের। তিনি গিটারকে কেবল গানের সঙ্গত হিসেবে ব্যবহার করেননি; বরং বাদ্যযন্ত্রটিকে নিজের অনুভূতি প্রকাশের স্বতন্ত্র মাধ্যম করে তুলেছিলেন। এ কারণেই তাঁর গিটারের সুর আজও আলাদা করে চেনা যায়।

স্মৃতির গিটারগুলো কি নতুনদের হাতে উঠবে?

আইয়ুব বাচ্চুর মৃত্যুর পর তাঁর ব্যবহৃত গিটারগুলো নিয়ে আলোচনা হয়েছে বিভিন্ন সময়ে। প্রতিটি গিটারের সঙ্গে জড়িয়ে আছে তাঁর সংগীতজীবনের কোনো না কোনো স্মৃতি। কোনোটি মঞ্চে বাজিয়েছেন, কোনোটি হয়তো গানের সুর তৈরির সঙ্গী ছিল। এগুলো শুধু বাদ্যযন্ত্র নয়, বাংলাদেশের ব্যান্ডসংগীতের ইতিহাসেরও গুরুত্বপূর্ণ স্মারক।

কিন্তু গিটারগুলো সংরক্ষণের পাশাপাশি তাঁর স্বপ্নের সঙ্গে সেগুলোকে যুক্ত করার সুযোগও রয়েছে। তাঁর পরিকল্পনা অনুযায়ী নতুন গিটারবাদকদের প্রশিক্ষণ, প্রতিযোগিতা কিংবা সংগীতবিষয়ক কর্মশালার আয়োজন করা গেলে তরুণেরা উপকৃত হতে পারেন। তাঁর ব্যবহৃত গিটার নিয়ে প্রদর্শনী আয়োজন করা হলে নতুন প্রজন্ম জানতে পারবে, কীভাবে একজন শিল্পীর নিষ্ঠা ও সাধনা তাঁকে কিংবদন্তিতে পরিণত করে।

আইয়ুব বাচ্চুর গান, সাক্ষাৎকার, গিটারবাদনের ভিডিও, গানের পাণ্ডুলিপি এবং সংগীতজীবনের নানা স্মারক নিয়ে একটি সমৃদ্ধ ডিজিটাল আর্কাইভ গড়ে তোলার উদ্যোগও গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে। তাঁর ২৭২টি গান সংরক্ষণ ও ডিজিটাল আর্কাইভ তৈরির উদ্যোগের কথাও আগে উঠে এসেছিল। এমন উদ্যোগ ধারাবাহিকভাবে এগিয়ে নেওয়া গেলে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য তাঁর সৃষ্টিকর্ম সংরক্ষণ করা সহজ হবে।

শিল্পীকে স্মরণ করার অর্থ শুধু তাঁর মৃত্যুবার্ষিকীতে অনুষ্ঠান করা নয়; তাঁর সৃষ্টিকে বাঁচিয়ে রাখা এবং তাঁর ভালো কাজের স্বপ্নগুলোকে এগিয়ে নেওয়াও। আইয়ুব বাচ্চুর ক্ষেত্রে সেই দায়িত্ব আরও গুরুত্বপূর্ণ, কারণ তিনি নিজের সংগীতজীবনের পাশাপাশি নতুনদের জন্যও কিছু করে যেতে চেয়েছিলেন।

আট বছর পরও রয়ে গেছে আক্ষেপ

আইয়ুব বাচ্চুর প্রয়াণের আট বছর পরও তাঁর গান ও সংগীত নিয়ে আলোচনা থামেনি। নতুন প্রজন্মের শিল্পীরা তাঁর গান গাইছেন, গিটারবাদন থেকে অনুপ্রেরণা নিচ্ছেন। সংগীতাঙ্গনের অনেকের কাছেই তিনি কেবল একজন জনপ্রিয় শিল্পী নন, বরং পথ দেখানো এক মানুষ।

সংগীতশিল্পী শুভ একবার প্রথম আলোকে জানিয়েছিলেন, আইয়ুব বাচ্চুর সঙ্গে তাঁর ভুল-বোঝাবুঝি হয়েছিল। মৃত্যুর পাঁচ দিন আগে বিমানবন্দরে দেখা হলেও সেই ভুল-বোঝাবুঝি দূর করা সম্ভব হয়নি। বিষয়টি নিয়ে তাঁর আক্ষেপ রয়ে গেছে। শুভর ভাষায়, ‘আমার পুরো সংগীতজীবনে তাঁর একটা বিরাট প্রভাব আছে। তাঁর একটা কথা শুনলেই আশীর্বাদের মতো মনে হতো।’

২০২৬ সালে মরণোত্তর একুশে পদকে ভূষিত হয়েছেন আইয়ুব বাচ্চু। তাঁর স্ত্রী ফেরদৌস আক্তার চন্দনা প্রথম আলোকে বলেছেন, ‘বাচ্চু থাকলে বেশি খুশি হতো। পুরস্কারটা নিজে হাতে নিতে পারলে খুশি হতো।’

সম্মাননা এসেছে, তাঁর গান প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে ছড়িয়ে পড়ছে। কিন্তু এসবের মাঝেও থেকে গেছে কিছু অপূর্ণতা। হয়তো তিনি বেঁচে থাকলে একুশে পদক হাতে নিয়ে আনন্দিত হতেন। হয়তো নতুন গান তৈরি করতেন, তরুণদের নিয়ে কাজ করতেন কিংবা আবারও বলতেন ১৫ লাখ দর্শকের সামনে কনসার্ট আয়োজনের কথা।

হয়তো তাঁর স্বপ্নের গিটার স্কুলে কোনো তরুণ শিল্পী প্রথমবারের মতো গিটার হাতে তুলে নিত। তাঁর সংগ্রহের কোনো গিটার নতুন কারও সংগীতজীবনের সূচনা করত। কিংবা দেশি-বিদেশি শিল্পীদের নিয়ে সেই বহু আকাঙ্ক্ষিত কনসার্টে লাখো মানুষের সামনে দাঁড়িয়ে গিটারের তারে তুলতেন ঝড়।

এসবই এখন কল্পনা। বাস্তবে আইয়ুব বাচ্চু নেই, তাঁর সেই স্বপ্নের মঞ্চও তৈরি হয়নি। তবু তাঁর গান থেমে নেই, থেমে নেই গিটারের সুরে নতুন প্রজন্মের পথচলা।

মানুষ চলে যায়, কিন্তু কিছু স্বপ্ন থেকে যায় অন্যদের এগিয়ে যাওয়ার প্রেরণা হয়ে। আইয়ুব বাচ্চুর ১৫ লাখ দর্শকের কনসার্ট, গিটার স্কুল আর নতুন শিল্পীদের নিয়ে কাজ করার স্বপ্নগুলোও তেমনই। প্রশ্ন শুধু একটাই—তাঁর স্মৃতিকে ভালোবাসার পাশাপাশি সেই স্বপ্নগুলোর কিছু কি বাস্তবে রূপ দেওয়া যাবে? নাকি ১৫ লাখ মানুষের সামনে গিটার হাতে দাঁড়ানোর আকাঙ্ক্ষা চিরকালই থেকে যাবে বাংলাদেশের ব্যান্ডসংগীতের এক কিংবদন্তির অপূর্ণ স্বপ্ন হয়ে?


Loading...
Loading...

বিনোদন- এর আরো খবর

Loading...
Loading...
© 2026 Daily Daily Bhorer Dak
সম্পাদক ও প্রকাশক : কে.এম. বেলায়েত হোসেন
৪-ডি, মেহেরবা প্লাজা, ৩৩ তোপখানা রোড, ঢাকা-১০০০ থেকে প্রকাশিত এবং মনিরামপুর প্রিন্টিং প্রেস ৭৬/এ নয়াপল্টন, ঢাকা থেকে মুদ্রিত। পিএবিএক্স: ৪১০৫২২৪৫, ৪১০৫২২৪৬, ০১৭৭৫-৩৭১১৬৭, বিজ্ঞাপন ও সার্কুলেশন: ৪১০৫২২৫৮
ই-মেইল : [email protected], [email protected]
ফলো করুন: