
শনিবারের ম্যাচে প্রথমার্ধের শেষ দিকে জার্মান বেরতেরামের গোলে এগিয়ে যায় মায়ামি। বিরতির পর ৫৬ মিনিটে মেসির পা থেকে আসে ম্যাচের দ্বিতীয় গোল। ডান দিক দিয়ে আক্রমণে উঠে বেরতেরামের সঙ্গে বল আদান-প্রদান করে বক্সে ঢুকে এক ডিফেন্ডারকে কাটিয়ে নিচু শটে বল জালে পাঠান তিনি।
এর মাত্র চার মিনিট পর আবারও গোল। লুইস সুয়ারেজের পাস ধরে দ্রুত পাল্টা আক্রমণে উঠে সামনে থাকা ডিফেন্ডারকে পাশ কাটিয়ে বাঁ পায়ের নিখুঁত শটে নিজের দ্বিতীয় গোলটি করেন আটবারের ব্যালন ডি’অরজয়ী।
শেষ দিকে পেনাল্টি থেকে আটলান্টার হয়ে একটি গোল শোধ করেন মায়ামির সাবেক ফরোয়ার্ড ফাফা পিকো। তবে তাতে ম্যাচের ফল বদলায়নি।
মেসির পারফরম্যান্সে মুগ্ধ মায়ামির কোচ ক্রিস্তিয়ান গঞ্জালেস ম্যাচ শেষে বলেন, ৩৯ বছর বয়সেও মেসি যেভাবে খেলছেন, তা তাঁকে প্রতিনিয়ত বিস্মিত করে। তাঁর মতে, মেসি এখানে খেলাটা উপভোগ করছেন এবং সুখী থাকায় নিজের সেরাটা দিতে পারছেন।
মেসির উপস্থিতি দলের অন্য খেলোয়াড়দেরও অনুপ্রাণিত করছে বলে মন্তব্য করেন গঞ্জালেস। তাঁর ভাষায়, প্রতিদিন মেসি সতীর্থদের আরও ভালো খেলোয়াড় হওয়ার জন্য অনুপ্রেরণা জোগান।
আটলান্টার বিপক্ষে জোড়া গোলের পর এমএলএসের গোল্ডেন বুটের দৌড়ে মেসির গোল ২৫। দ্বিতীয় স্থানে থাকা খেলোয়াড়ের চেয়ে তিনি এগিয়ে ছয় গোলে। অ্যাসিস্টেও ১৫টি নিয়ে যৌথভাবে শীর্ষে আছেন মেসি ও লস অ্যাঞ্জেলেস এফসির সন হিউং-মিন।
শুধু গোল-অ্যাসিস্টে নয়, রেকর্ডেও এগিয়ে যাচ্ছেন মেসি। এমএলএস ইতিহাসে প্রথম খেলোয়াড় হিসেবে টানা তিন মৌসুমে অন্তত ১৫টি করে অ্যাসিস্ট করার কীর্তি গড়েছেন তিনি।
ক্লাব ও জাতীয় দলের হয়ে টানা ১৩ ম্যাচেও অন্তত একটি গোলে সরাসরি অবদান রেখেছেন মেসি। ক্যারিয়ারে এটি তাঁর দ্বিতীয় দীর্ঘতম গোল-অবদান ধারা।