
বৃহস্পতিবার এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দেশ। এ দেশের মানুষ দীর্ঘদিন ধরে ধর্ম-বর্ণনির্বিশেষে মিলেমিশে বসবাস করে আসছে। সব ধর্মের মানুষের নিজ নিজ ধর্মীয় উৎসব পালন এবং ধর্মীয় অধিকার চর্চার স্বাধীনতা নিশ্চিত করা একটি গণতান্ত্রিক ও মানবিক রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব।
দুর্গাপূজা উপলক্ষে দেওয়া শুভেচ্ছাবার্তায় রুহুল আমিন হাওলাদার আরও বলেন, দুর্গাপূজা শুধু হিন্দু সম্প্রদায়ের ধর্মীয় উৎসব নয়; এটি বাংলাদেশের অসাম্প্রদায়িক ঐতিহ্য, সামাজিক সম্প্রীতি ও সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যেরও প্রতীক। ‘ধর্ম যার যার, উৎসবের আনন্দ সবার’—এই চেতনাকে ধারণ করেই সবাইকে এগিয়ে যেতে হবে।
তিনি বলেন, একটি শান্তিপূর্ণ, মানবিক ও সম্প্রীতিপূর্ণ বাংলাদেশ গড়ে তুলতে সব ধর্মের মানুষের মধ্যে পারস্পরিক আস্থা ও ভালোবাসা বজায় রাখা জরুরি। ধর্মীয় পরিচয়ের কারণে কেউ যেন বৈষম্য, ভীতি কিংবা নিরাপত্তাহীনতার শিকার না হন, সে বিষয়ে সবাইকে সচেতন থাকতে হবে।
জাতীয় পার্টির মহাসচিব বলেন, সমাজে বিভেদ ও বিদ্বেষ ছড়ানোর যেকোনো অপচেষ্টার বিরুদ্ধে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। রাজনৈতিক মতপার্থক্য কিংবা ধর্মীয় পরিচয় যেন মানুষের পারস্পরিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে বাধা হয়ে না দাঁড়ায়। বরং সহনশীলতা, মানবিক মূল্যবোধ ও পারস্পরিক সহযোগিতার মধ্য দিয়ে জাতীয় ঐক্য আরও সুদৃঢ় করতে হবে।
দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণ ও আনন্দঘন পরিবেশে উদ্যাপিত হবে বলে প্রত্যাশা ব্যক্ত করে তিনি বলেন, সব ধর্মের মানুষের সম্মিলিত অংশগ্রহণ ও সহযোগিতায় বাংলাদেশ সম্প্রীতি, শান্তি ও সহাবস্থানের উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হয়ে উঠুক।
শেষে তিনি দুর্গাপূজা উপলক্ষে হিন্দু সম্প্রদায়ের সবার সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করেন।