
তিনি বলেন, সংসদীয় কমিটির সভায় প্রধানমন্ত্রী সব সংসদ সদস্যকে নিজ নিজ এলাকায় সনাতন ধর্মাবলম্বীদের এই বৃহৎ ধর্মীয় উৎসব নির্বিঘ্ন ও আনন্দমুখর করতে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা নিশ্চিত করার নির্দেশনা দিয়েছেন।
সোমবার (১২ অক্টোবর) বরিশালের গৌরনদী উপজেলার বার্থী কালীমন্দিরে শারদীয় দুর্গোৎসব উদযাপনের প্রস্তুতি পর্যালোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। সভায় উপজেলার সব পূজামণ্ডপের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ সনাতন ধর্মাবলম্বী ভক্তরা অংশ নেন।
উপজেলা পূজা উদযাপন কমিটির সভাপতি প্রেমানন্দ ঘরামীর সভাপতিত্বে সভায় অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বরিশাল উত্তর জেলা বিএনপির সদস্যসচিব মিজানুর রহমান খান মুকুল, উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক সৈয়দ সরোয়ার আলম বিপ্লব এবং পৌর বিএনপির আহ্বায়ক জাকির হোসেন শরীফ।
সভায় বক্তব্য দেন উপজেলা পূজা উদযাপন কমিটির সাধারণ সম্পাদক তাপস বণিক, কমিটির সাবেক সভাপতি মনোজ গোমস্তা, বার্থী মন্দির ট্রাস্টি বোর্ডের সভাপতি শান্তুনু ঘোষসহ বিভিন্ন পূজামণ্ডপের নেতারা।
জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গোৎসব। দীর্ঘদিনের ঐতিহ্যবাহী এ উৎসবের আনন্দ শুধু সনাতন ধর্মাবলম্বীদের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; অন্যান্য ধর্ম ও সম্প্রদায়ের মানুষও এতে সম্পৃক্ত হন। সনাতন ধর্মাবলম্বীরা বাংলাদেশের জনসংখ্যার একটি উল্লেখযোগ্য অংশ হওয়ায় দুর্গোৎসব দেশের সামগ্রিক উৎসবের আবহ তৈরি করে।
তিনি আরও বলেন, সরকার গঠনের পর এবারই প্রথম পূজাপার্বণের আয়োজন ও উদযাপনের বিষয়টি সরকারিভাবে দেখভালের দায়িত্ব নেওয়া হয়েছে। সনাতন ধর্মাবলম্বীদের প্রতিনিধিরা তাঁদের ধর্মীয় উৎসব নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলতে গেলে তিনি তাঁদের প্রত্যাশার চেয়েও বেশি সহযোগিতা নিয়ে এগিয়ে এসেছেন।