দেশে ‘ব্লাক বেঙ্গল’ ছাগলের জাত সম্প্রসারণে পাইলট প্রকল্প গ্রহণ

সুমন হাওলাদার

জাতীয়

সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগে গরুর কৃত্রিম প্রজনের কাজ করলেও গবাদিপ্রাণী বিশেষ করে ব্ল্যাক বেঙ্গল ছাগলের প্রজননের জন্য পাঁঠাবাড়ি বা যাদের

2026-10-08T13:08:46+00:00
2026-10-08T13:08:46+00:00
  শুক্রবার, ৯ অক্টোবর ২০২৬,
২৪ আশ্বিন ১৪৩৩
 
শুক্রবার, ৯ অক্টোবর ২০২৬
জাতীয়
দেশে ‘ব্লাক বেঙ্গল’ ছাগলের জাত সম্প্রসারণে পাইলট প্রকল্প গ্রহণ
কৃত্রিম প্রজনন ল্যাবে সংগ্রহ করা হবে সিমেন
সুমন হাওলাদার
বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর, ২০২৬, ১:০৮ পিএম 
সংগৃহীত ছবি
সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগে গরুর কৃত্রিম প্রজনের কাজ করলেও গবাদিপ্রাণী বিশেষ করে ব্ল্যাক বেঙ্গল ছাগলের প্রজননের জন্য পাঁঠাবাড়ি বা যাদের কাছে ব্লাক বেঙ্গল জাতের পাঁঠা রয়েছে তাদের কাছে যেতে হচ্ছে। এজন্য সময় ও শ্রমের পাশাপাশি গুণতে হচ্ছে ২০০ থেকে ৫০০ টাকা পর্যন্ত। এরই সুযোগে অনেকেই পাঠার মালিকদের নানা নামে অভিহিত করে থাকে। এদিকে পাঁঠাবাড়ির বদনাম ঘোচানের পাশাপাশি দেশে ব্লাক বেঙ্গল ও ভেড়ার জাত সংরক্ষণের জন্য পাইলট প্রকল্প গ্রহণ করেছে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর। ৩০ কোটি ৫২ লাখ ৮৮ হাজার টাকায় এ প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হবে। এতে দেশের বিভিন্ন উপজেলা থেকে ১০০টি ব্লাক বেঙ্গল জাতের পাঠা সংগ্রহ করা হবে এবং বিভিন্ন সরকারি ছাগল উন্নয়ন খামার থেকে ৪০০টি পাঁঠা বাছাই করা হবে এবং উক্ত বাছাইকৃত পাঁঠা হতে ২০ শতাংশ পাঁঠা সরকারি ছাগল উন্নয়ন খামার, সাভারে এনে লালনপালন করার পাশাপাশি তাদের রেকর্ড সংরক্ষণ করে উচ্চ মানসম্পন্ন পাঁঠা সমূহ হতে কৃত্রিম প্রজনন ল্যাব, সাভারে সিমেন সংগ্রহ করা হবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট প্রকল্প পরিচালক মো. আনিছুর রহমান।

তিনি বলেন, সংগৃহিত সিমেন প্রসেসিং এর মাধ্যমে সর্বমোট ১ লাখ ৫০ হাজার ডোজ সিমেন স্ট্র তৈরি করা হবে। প্রকল্পের মেয়াদে ৫০ হাজার ডোজ সিমেন মাঠ পর্যায়ে অর্থাৎ কন্ট্রাক্ট গ্রোয়ার ফার্মারস বিশেষ করে সমাজের নিম্ন মধ্যবিত্ত, বিধবা, স্বামী পরিত্যাক্তা নারী যাদের ৩-৫টি ছাগি রয়েছে সেসব ছাগিদের কৃত্রিম প্রজনন (পায় ১১ হাজার ছাগীকে) করানো হবে। দেখা হবে, সংগৃহীত এসব সিমেন থেকে কতটা বচ্চা আসে। অর্থাৎ এসব সিমেনের গর্ভধারণ হার নির্ধারণ করা হবে। ফলে দেশীয় ব্ল্যাক বেঙ্গল জাত সংরক্ষিত ও সম্প্রসারিত হবে।

প্রকল্প পরিচালক আরো বলেন, ব্লাক বেঙ্গল ছাড়াও সরকারি ভেড়া উন্নয়ন খামার রাজশাহীতেও গবেষণা করা হবে। আমাদের দেশের প্রেক্ষাপটে কৃত্রিম প্রজননের মাধ্যমে ভেড়াপালনের উপযোগীতাও যাচাই করা।

প্রকল্প সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, প্রকল্পটি জুলাই ২০২৫ সাল হতে শুরু হয়েছে যেটি আগামী ২০২৮ সালের ৩০ জুন শেষ হওয়ার কথা রয়েছে। প্রাকৃতিক ও কৃত্রিম প্রজনন প্রযুক্তি সম্প্রসারণের মাধ্যমে দীর্ঘ মেয়াদে গুণগত কৌলিক মানসম্পন্ন ব্ল্যাক বেঙ্গল ছাগল এবং দেশীয় ভেড়ার উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধির মাধ্যমে আর্থসামাজিক উন্নয়ন। সংকরায়ন ও অন্তঃ প্রজনন প্রতিরোধের মাধ্যমে বিশুদ্ধ ‘ব্লাক বেঙ্গল’ ছাগলের জাত সংরক্ষণ ও সম্প্রসারণে পাইলটিং; ব্ল্যাক বেঙ্গল’ জাতের ছাগলের কৃত্রিম প্রজনন প্রযুক্তির উন্নয়ন; সরকারি খামারে ভেড়ার কৃত্রিম প্রজনন প্রযুক্তির পরিমার্জন এবং নির্বাচিত এলাকায় ক্ষয়িষ্ণু জাতের ছাগলের কৃত্রিম প্রজনন স্বক্ষমতা পুনঃরুদ্ধার; নির্বাচিত জেলাসমূহে ‘ব্লাক বেঙ্গল’ জাতের ছাগলের সম্প্রসারণ; ভেড়ার কৃত্রিম প্রজনন প্রযুক্তি মাঠপর্যায়ে ব্যবহারোপযোগীতা যাচাইয়ের কাজ চলছে। ইতোমধ্যে নির্বাচিত এলাকাসমূহে ছাগলের প্রাকৃতিক ও কৃত্রিম প্রজনন সম্প্রসারণ এবং সংশ্লিষ্ট সরকারি খামারে ভেড়ার কৃত্রিম প্রজনন প্রযুক্তি সম্প্রসারণের উদ্যোগের পাশাপাশি ৩১৫টি সিজিএফ গঠন এবং ২২৫ জন বাককীপার/পাঁঠা পালক নির্বাচন করা হয়েছে।



Loading...
Loading...

জাতীয়- এর আরো খবর

Loading...
Loading...
© 2026 Daily Daily Bhorer Dak
সম্পাদক ও প্রকাশক : কে.এম. বেলায়েত হোসেন
৪-ডি, মেহেরবা প্লাজা, ৩৩ তোপখানা রোড, ঢাকা-১০০০ থেকে প্রকাশিত এবং মনিরামপুর প্রিন্টিং প্রেস ৭৬/এ নয়াপল্টন, ঢাকা থেকে মুদ্রিত। পিএবিএক্স: ৪১০৫২২৪৫, ৪১০৫২২৪৬, ০১৭৭৫-৩৭১১৬৭, বিজ্ঞাপন ও সার্কুলেশন: ৪১০৫২২৫৮
ই-মেইল : [email protected], [email protected]
ফলো করুন: