
এসআরবি জানিয়েছে, এসআরবি-৪ ও এসআরবি-১-এর যৌথ অভিযানে লিপিকে গ্রেপ্তার করা হয়। এর আগে শিশুটিকে উদ্ধার করে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে কুসলুম নামে আরও একজনকে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।
মামলার এজাহার ও গ্রেপ্তার লিপিকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের বরাত দিয়ে এসআরবি জানায়, গত ১৮ সেপ্টেম্বর রূপনগর থানার দুয়ারীপাড়া এলাকার নিজ বাসা থেকে বায়জিদকে অপহরণ করা হয়। ঘটনার পর বিষয়টি গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।
এসআরবির ভাষ্য, শিশুটি নিখোঁজ হওয়ার পরপরই তাদের একটি দল ঘটনাস্থলে গিয়ে ছায়াতদন্ত শুরু করে। তদন্তের অংশ হিসেবে বিভিন্ন সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করা হয়। এতে অপহরণের পর শিশুটিকে প্রায় দেড় কিলোমিটার দূরের একটি ক্লিনিকে নিয়ে যাওয়ার তথ্য পাওয়া যায় বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।
পরবর্তী একটি সিসিটিভি ফুটেজে লিপি ও নাসরিন নামে দুই নারীকে শিশুটির হাত ধরে নিয়ে যেতে দেখা যায় বলেও জানিয়েছে এসআরবি। তদন্তে সংস্থাটি দাবি করেছে, শিশুটিকে নিঃসন্তান দম্পতির কাছে বিক্রির চেষ্টা করা হয়েছিল। তবে শিশুটির বয়স তুলনামূলক বেশি হওয়ায় কথিত চক্রটি তাকে বিক্রি করতে পারেনি।
এসআরবির দাবি, পরে লিপির পরামর্শে নাসরিন শিশুটিকে অন্যত্র নিয়ে যায়। এদিকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তৎপরতা এবং ঘটনাটি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক প্রচারের পর শিশুটিকে টঙ্গী এলাকার একটি সড়কে ফেলে রেখে পালিয়ে যায় চক্রের সদস্যরা।
পরে তথ্যপ্রযুক্তি ও গোয়েন্দা তথ্যের সহায়তায় শিশুটিকে উদ্ধারের পাশাপাশি লিপির অবস্থান শনাক্ত করা হয় বলে জানিয়েছে এসআরবি। এরপর টঙ্গী পশ্চিম থানার খাঁ-পাড়ার ওই বাসায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার লিপিকে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত অন্যদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে এসআরবি।