
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন—মো. জুয়েল শিকদার (৪০), মো. তামিম (২৪) ও উজ্জল সরদার (২০)। এসআরবি-৪ ও এসআরবি-৮-এর যৌথ অভিযানে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় তাদের কাছ থেকে দেশীয় অস্ত্র, ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত সরঞ্জাম ও একটি মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে এসআরবি।
এসআরবি সূত্রে জানা যায়, গত ১০ সেপ্টেম্বর সকালে হেমায়েতপুর বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন মাদানী সুপার মার্কেটের দ্বিতীয় তলায় অবস্থিত আইএফআইসি ব্যাংক থেকে ব্যবসায়িক প্রয়োজনে ২৬ লাখ টাকা উত্তোলন করেন ‘আর কে এন্টারপ্রাইজ’-এর কর্মচারী মো. ইসরাফিল হক। টাকা একটি ব্যাগে নিয়ে তিনি ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের হেমায়েতপুর বাসস্ট্যান্ড এলাকায় রাস্তা পার হচ্ছিলেন।
এ সময় একটি প্রাইভেটকারে করে তাকে অনুসরণ করতে থাকে অভিযুক্তরা। পরে র্যাবের পোশাক পরা অবস্থায় তার গতিরোধ করে নিজেদের র্যাব সদস্য পরিচয় দেয় তারা। একপর্যায়ে দেশীয় অস্ত্র দেখিয়ে ইসরাফিলের কাছ থেকে টাকার ব্যাগটি নেওয়ার চেষ্টা করা হয়।
ব্যাগ দিতে অস্বীকৃতি জানালে তাকে প্রাণনাশের ভয় দেখানো হয়। পরে লোহার রড দিয়ে এলোপাতাড়ি আঘাত করে তাকে গুরুতর আহত অবস্থায় রাস্তায় ফেলে রেখে টাকার ব্যাগ নিয়ে পালিয়ে যায় দুর্বৃত্তরা। ব্যাগে থাকা ২৬ লাখ টাকা তারা নিয়ে যায় বলে মামলার এজাহার ও প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া তথ্যের বরাতে জানিয়েছে এসআরবি।
ঘটনার পর ‘আর কে এন্টারপ্রাইজ’-এর মালিক মো. রেজাউল করিম বাদী হয়ে সাভার মডেল থানায় মামলা করেন। চাঞ্চল্যকর এ ঘটনার পর এসআরবির একটি দল ছায়া তদন্ত শুরু করে। পরে তথ্যপ্রযুক্তি ও গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অভিযুক্তদের অবস্থান শনাক্ত করা হয়।
এরই ধারাবাহিকতায় মঙ্গলবার সকালে রাজৈর উপজেলার টেকেরঘাট আবাসিক এলাকায় অভিযান চালিয়ে তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে বলে জানিয়েছে এসআরবি।