
দীর্ঘ বিরতির পর আবারও বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলের ক্যাম্পে ফিরেছেন হামজা চৌধুরী। ফিফা আসিয়ান কাপের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে ইন্দোনেশিয়ার রাজধানী জাকার্তায় অবস্থান করছে বাংলাদেশ দল। সেখানেই সতীর্থদের সঙ্গে যোগ দিয়েছেন শেফিল্ড ইউনাইটেডের এই মিডফিল্ডার।
বাংলাদেশ দল জাকার্তায় পৌঁছে আগেই অনুশীলন শুরু করেছিল। তবে হামজার যোগ দেওয়ার বিষয়টি নিয়ে অপেক্ষা ছিল দলের পাশাপাশি সমর্থকদেরও। সেই অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে জাকার্তায় দলের সঙ্গে যুক্ত হয়েছেন তিনি। এখন সতীর্থদের সঙ্গে অনুশীলনে নেমে টুর্নামেন্টের প্রস্তুতিতে নিজেকে যুক্ত করার পালা।
জাতীয় দলের হয়ে হামজাকে সর্বশেষ দেখা গেছে গত ৫ জুন। সানমারিনোর বিপক্ষে ওই ম্যাচে ২-১ গোলে জয় পেয়েছিল বাংলাদেশ। এরপর দীর্ঘ সময় জাতীয় দলের বাইরে ছিলেন তিনি। সাড়ে তিন মাস পর আবারও লাল-সবুজের জার্সিতে ফেরার সুযোগ তৈরি হয়েছে তাঁর সামনে।
সামনেই বাংলাদেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি ম্যাচ। ২৫ সেপ্টেম্বর মালয়েশিয়ার বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে ফিফা আসিয়ান কাপের অভিযান শুরু করবে বাংলাদেশ। ‘এ’ গ্রুপে বাংলাদেশের পরের দুই প্রতিপক্ষ সিঙ্গাপুর ও ইন্দোনেশিয়া। ২৮ সেপ্টেম্বর সিঙ্গাপুরের বিপক্ষে এবং ১ অক্টোবর স্বাগতিক ইন্দোনেশিয়ার বিপক্ষে খেলবে দলটি। গ্রুপ পর্বের তিনটি ম্যাচই হবে জাকার্তার গেলোরা বুং কার্নো স্টেডিয়ামে।
এবারের স্কোয়াডে প্রবাসী ফুটবলারদের উপস্থিতিও রয়েছে। ২৩ সদস্যের দলে প্রথমবারের মতো সুযোগ পেয়েছেন ফারহান আলী ওয়াহিদ, জিদান আলেকজান্ডার ইউসুফ ও শুকি ইতফুসা। তাঁদের সঙ্গে হামজার অন্তর্ভুক্তি দলের মাঝমাঠে খেলোয়াড়ের সংখ্যা ও কৌশলগত বিকল্প বাড়িয়েছে।
বাংলাদেশের হয়ে আন্তর্জাতিক ফুটবলে ইতিমধ্যে বেশ কয়েকটি ম্যাচ খেলেছেন হামজা। মাঝমাঠ থেকে বল নিয়ন্ত্রণ, পাস দেওয়া এবং আক্রমণ গড়ে তোলার কাজে তাঁর ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। দীর্ঘ বিরতির পর এবার দলের সঙ্গে অনুশীলনের মাধ্যমে সতীর্থদের সঙ্গে বোঝাপড়া আরও ঝালিয়ে নেওয়ার সুযোগ পাবেন তিনি।
টুর্নামেন্টের প্রথম ম্যাচেই হামজাকে মাঠে দেখা যাবে কি না, তা নির্ভর করবে দলের পরিকল্পনা ও তাঁর প্রস্তুতির ওপর। তবে তাঁর দলে ফেরায় জাকার্তায় বাংলাদেশের প্রস্তুতি পর্বে যোগ হয়েছে বাড়তি আগ্রহ। এখন নজর থাকবে আসিয়ান কাপে বাংলাদেশের হয়ে হামজার প্রত্যাবর্তনের দিকে।