পার্বত্য চট্টগ্রামের পরিবেশ ও প্রকৃতি অক্ষুণ্ন রেখে দুর্গম এলাকার যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়নে স্থানীয় সরকার বিভাগের সহযোগিতা চেয়েছেন পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রী সাচিং প্রু।
রবিবার (২০ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বাংলাদেশ সচিবালয়ে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে তিনি এ সহযোগিতা কামনা করেন।
বৈঠকে দুই মন্ত্রী পার্বত্য চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের যোগাযোগব্যবস্থা উন্নয়ন এবং দুই মন্ত্রণালয়ের পারস্পরিক সহযোগিতার বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন।
পার্বত্য চট্টগ্রামের দুর্গম এলাকাগুলোর বর্তমান পরিস্থিতি তুলে ধরে সাচিং প্রু বলেন, পাহাড়ি অঞ্চলের অনেক এলাকায় এখনও কাঁচা ও মাটির রাস্তা রয়েছে। বর্ষা ও বৃষ্টির সময় এসব সড়কে চলাচল কঠিন হয়ে পড়ে এবং সাধারণ মানুষকে দুর্ভোগ পোহাতে হয়।
তিনি বলেন, পার্বত্য অঞ্চলের মানুষের চলাচল সহজ করতে পরিবেশ ও প্রকৃতি রক্ষার বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে যোগাযোগ অবকাঠামোর উন্নয়ন করা প্রয়োজন। এ ক্ষেত্রে স্থানীয় সরকার বিভাগের প্রয়োজনীয় সহযোগিতা প্রত্যাশা করেন তিনি।
এ সময় পার্বত্য চট্টগ্রামের দুর্গম এলাকায় নিরাপদ ও সুপেয় পানি সরবরাহে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের বিভিন্ন কার্যক্রমের প্রশংসা করেন পার্বত্য মন্ত্রী। এসব উদ্যোগের জন্য স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়কে ধন্যবাদও জানান তিনি।
সাচিং প্রু বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামে উন্নয়নের ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে। দুর্গম এলাকার যোগাযোগব্যবস্থা আরও উন্নত হলে পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর জীবনযাত্রার পাশাপাশি স্থানীয় অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডও আরও গতিশীল হবে।
পার্বত্য মন্ত্রীর প্রস্তাবকে স্বাগত জানিয়ে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান বলেন, পাহাড়ি ও সমতল—উভয় অঞ্চলের মানুষের জীবনমান উন্নয়ন এবং দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করতে দুই মন্ত্রণালয় যৌথভাবে কাজ করবে।
তিনি বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের মধ্যে সমন্বয় বাড়িয়ে উন্নয়ন কার্যক্রম আরও এগিয়ে নেওয়া হবে।