
রয়টার্সের তথ্য অনুযায়ী, গ্রিনিচ সময় রাত ১২টা ২০ মিনিট পর্যন্ত ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ১ দশমিক ১ শতাংশ বা ১ দশমিক ১০ ডলার কমে ব্যারেলপ্রতি ১০৩ দশমিক ৭৭ ডলারে নেমেছে। একই সময়ে ডব্লিউটিআইয়ের দাম ১ দশমিক ১ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে ১০০ দশমিক ৮৮ ডলারে। বৃহস্পতিবারও দুই ধরনের তেলের দাম প্রায় ১ শতাংশ কমেছিল।
বাজার বিশ্লেষকদের মতে, সৌদি আরব ও ইয়েমেনের ইরান-সমর্থিত হুতিদের মধ্যে নতুন করে হামলা হলেও তেল সরবরাহে বড় ধরনের বিঘ্ন না ঘটার সম্ভাবনা বাজারে স্বস্তি তৈরি করেছে।
এর আগে মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনায় সপ্তাহের শুরুতে তেলের দাম প্রায় চার মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে উঠেছিল। সৌদি আরবের ইয়ানবু বন্দর থেকে সরবরাহ বন্ধ এবং ইউরোপে কয়েকটি চালান বাতিলের খবরে সরবরাহ সংকটের আশঙ্কা তৈরি হয়।
এদিকে, গত সপ্তাহের হামলায় সৌদি আরবের ইস্ট-ওয়েস্ট পাইপলাইনের তিনটি পাম্পিং স্টেশন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। পাইপলাইনটি দীর্ঘ সময় বন্ধ থাকলে বৈশ্বিক তেল সরবরাহের প্রায় ৪ শতাংশ প্রভাবিত হতে পারে বলে বিশ্লেষকদের ধারণা।
তবে সৌদি আরব দ্রুত সরবরাহ স্বাভাবিক করার চেষ্টা করছে। কয়েক দিনের মধ্যে পাইপলাইনের অর্ধেক সক্ষমতা চালুর পাশাপাশি ওমানের সোহর বন্দর দিয়ে এশিয়ায় বিকল্প পথে তেল সরবরাহের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
অন্যদিকে হরমুজ প্রণালিকে ঘিরে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। ইরানের রেভল্যুশনারি গার্ডসের নৌবাহিনী টোগো পতাকাবাহী একটি তেলবাহী জাহাজে হামলা চালানোর দাবি করেছে। একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে নতুন করে শান্তি আলোচনা না হওয়ায় বাজারে অনিশ্চয়তাও রয়ে গেছে।
জেপি মরগ্যান জানিয়েছে, ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধ শুরুর পর প্রথমবারের মতো তেলের বাজার নিয়ে তাদের কাছে নির্দিষ্ট কোনো পূর্বাভাস নেই।