হবিগঞ্জ সদর উপজেলার বেকিটেকা ব্রিজের পূর্ব পাশে মোড়গের খামারসংলগ্ন এলাকায় হবিগঞ্জ-লাখাই আঞ্চলিক সড়কের পাশে দীর্ঘদিন ধরে অবৈধভাবে সিলিকা বালু মজুত ও বিক্রির অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, শিবপুরের নুরনবী ফান্দ্রাইল গ্রামের আব্দুল আউয়াল জুয়েল সড়কের পাশে বালু স্তূপ করে এ ব্যবসা পরিচালনা করছেন।
স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রভাবশালী মহলকে ম্যানেজ করে দীর্ঘদিন ধরে সেখানে বালুর ব্যবসা চালানো হচ্ছে। তবে প্রশাসনের কোনো কর্মকর্তা বা স্থানীয় নেতাদের অর্থ দেওয়ার অভিযোগের স্বাধীনভাবে সত্যতা যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
অভিযোগের বিষয়ে আব্দুল আউয়াল জুয়েলের সঙ্গে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি তার ব্যবসাকে বৈধ দাবি করেন এবং প্রয়োজনীয় কাগজপত্র থাকার কথা জানান। তবে সরেজমিনে তিনি ইউনিয়ন পরিষদের ট্রেড লাইসেন্স ছাড়া অন্য কোনো নথি দেখাতে পারেননি।
স্থানীয়দের প্রশ্ন, সড়কের পাশে মজুত করা এসব বালু বৈধ উৎস থেকে সংগ্রহ করা হচ্ছে কি না। তাদের দাবি, বালুর উৎস ও ব্যবসার বৈধতা যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, এর আগে লাখাই উপজেলার বুল্লা এলাকায় অবৈধভাবে বালু বিক্রির অভিযোগে জুয়েল ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে ভ্রাম্যমাণ আদালত অভিযান চালায়। ওই অভিযানে ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছিল বলে স্থানীয়রা জানান। পরে তারা বেকিটেকা ব্রিজসংলগ্ন এলাকায় বালুর ব্যবসা শুরু করেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
এদিকে আঞ্চলিক সড়কের পাশে দীর্ঘদিন ধরে বালু মজুত ও বিক্রি চললেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নজরদারি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয়রা। তাদের দাবি, বিষয়টি তদন্ত করে বালুর উৎস, ব্যবসার বৈধ কাগজপত্র এবং সড়ক ও পরিবেশের ওপর এর প্রভাব যাচাই করা হোক।