নেপালে আকস্মিক বন্যা ও ভয়াবহ ভূমিধসে ব্যাপক প্রাণহানি ও ধ্বংসযজ্ঞের ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) এক শোকবার্তায় রাষ্ট্রপতি নিহতদের পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান। একই সঙ্গে দুর্যোগে আহতদের দ্রুত সুস্থতা এবং ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের দ্রুত পুনর্বাসন কামনা করেন তিনি।
শোকবার্তায় মির্জা ফখরুল বলেন, নেপালের এই কঠিন সময়ে বাংলাদেশের সরকার ও জনগণ দেশটির পাশে রয়েছে। ভয়াবহ এই দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের দুর্ভোগ দ্রুত কমে আসবে এবং উদ্ধার ও পুনর্বাসন কার্যক্রম সফলভাবে এগিয়ে যাবে বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি।
এদিকে বুধবার নেপাল ও চীনের তিব্বত অঞ্চলে প্রবল বন্যা ও ভূমিধসে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া গেছে। পাহাড়ের বিশাল অংশ ধসে নদীতে পড়ার পর সৃষ্ট আকস্মিক বন্যায় বিভিন্ন শহর ও উপত্যকা প্লাবিত হয়েছে।
দুর্গম পার্বত্য এলাকায় দুর্যোগটি আঘাত হানায় উদ্ধার তৎপরতাও কঠিন হয়ে পড়েছে। ওই অঞ্চলের মধ্য দিয়ে তিব্বতের লাসা থেকে নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডুর দিকে বিপুলসংখ্যক পর্যটক ও তীর্থযাত্রী যাতায়াত করেন।
নেপাল পুলিশের বরাত দিয়ে জানা গেছে, এখন পর্যন্ত প্রায় ১ হাজার ৫০০ মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন। তাঁদের মধ্যে প্রায় ৮০০ জন বিদেশি নাগরিক বলে জানা গেছে। ভয়াবহ এই দুর্যোগে মৃতের সংখ্যা ১৬৫ ছাড়িয়ে যেতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
দুর্যোগের পর নিখোঁজদের উদ্ধারে ব্যাপক তৎপরতা চালানো হচ্ছে। দুর্গম ভূখণ্ড, যোগাযোগব্যবস্থার ক্ষতি এবং প্রতিকূল পরিস্থিতির কারণে উদ্ধারকারীদের নানা চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে হচ্ছে।নেপালে আকস্মিক বন্যা ও ভয়াবহ ভূমিধসে ব্যাপক প্রাণহানি ও ধ্বংসযজ্ঞের ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) এক শোকবার্তায় রাষ্ট্রপতি নিহতদের পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান। একই সঙ্গে দুর্যোগে আহতদের দ্রুত সুস্থতা এবং ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের দ্রুত পুনর্বাসন কামনা করেন তিনি।
শোকবার্তায় মির্জা ফখরুল বলেন, নেপালের এই কঠিন সময়ে বাংলাদেশের সরকার ও জনগণ দেশটির পাশে রয়েছে। ভয়াবহ এই দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের দুর্ভোগ দ্রুত কমে আসবে এবং উদ্ধার ও পুনর্বাসন কার্যক্রম সফলভাবে এগিয়ে যাবে বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি।
এদিকে বুধবার নেপাল ও চীনের তিব্বত অঞ্চলে প্রবল বন্যা ও ভূমিধসে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া গেছে। পাহাড়ের বিশাল অংশ ধসে নদীতে পড়ার পর সৃষ্ট আকস্মিক বন্যায় বিভিন্ন শহর ও উপত্যকা প্লাবিত হয়েছে।
দুর্গম পার্বত্য এলাকায় দুর্যোগটি আঘাত হানায় উদ্ধার তৎপরতাও কঠিন হয়ে পড়েছে। ওই অঞ্চলের মধ্য দিয়ে তিব্বতের লাসা থেকে নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডুর দিকে বিপুলসংখ্যক পর্যটক ও তীর্থযাত্রী যাতায়াত করেন।
নেপাল পুলিশের বরাত দিয়ে জানা গেছে, এখন পর্যন্ত প্রায় ১ হাজার ৫০০ মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন। তাঁদের মধ্যে প্রায় ৮০০ জন বিদেশি নাগরিক বলে জানা গেছে। ভয়াবহ এই দুর্যোগে মৃতের সংখ্যা ১৬৫ ছাড়িয়ে যেতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
দুর্যোগের পর নিখোঁজদের উদ্ধারে ব্যাপক তৎপরতা চালানো হচ্ছে। দুর্গম ভূখণ্ড, যোগাযোগব্যবস্থার ক্ষতি এবং প্রতিকূল পরিস্থিতির কারণে উদ্ধারকারীদের নানা চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে হচ্ছে।