
এরই মধ্যে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ডেন্টাল টেকনিশিয়ান মো. আতিকের বিরুদ্ধে সরকারি অফিস ফাঁকি দিয়ে প্রাইভেট চেম্বারে রোগী দেখার অভিযোগ উঠেছে।
সরেজমিনে দেখা যায়, মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) সকাল আনুমানিক ১১টার দিকে উপজেলা সদরের কোর্ট ভবন এলাকায় নিজ চেম্বারে রোগী দেখছিলেন ওই টেকনিশিয়ান। এ সময় তাঁর চেম্বারে একজন নারী রোগীসহ আরও কয়েকজনকে দেখা যায়। অথচ সরকারি নিয়ম অনুযায়ী, সকাল ৯টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত তাঁর হাসপাতালে থাকার কথা।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে আতিক বলেন, “আমি বিভাগীয় প্রধানের কাছ থেকে ছুটি নিয়ে নেত্রকোনা যাচ্ছিলাম।” তবে ছুটি নিয়ে নেত্রকোনায় যাওয়ার কথা থাকলেও কেন তিনি চেম্বারে রোগী দেখছিলেন- এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি কোনো সদুত্তর দিতে পারেননি।
মদন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের দন্ত বিভাগের প্রধান ডা. শাহরিয়ার বলেন, “আতিক আমার কাছ থেকে নেত্রকোনা যাওয়ার কথা বলে ছুটি নিয়েছে। এখন যদি সে অফিস সময়ে প্রাইভেট চেম্বারে রোগী দেখে থাকে, তাহলে সেটা অন্যায়।”
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. নুরুল হুদা খান বলেন, “অফিস সময়ে বাইরে রোগী দেখা কোনোভাবেই ঠিক নয়। এ বিষয়ে কঠোর নির্দেশনা দেওয়া আছে। তারপরও কেউ এমনটি করে থাকলে তাঁর বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন রোগী ও তাঁদের স্বজন বলেন, “সরকারি হাসপাতালে ডেন্টালের ডাক্তার পাওয়া যায় না। অথচ বাইরে তাঁর চেম্বারে সিরিয়াল লেগে থাকে। জরুরি সেবা নিতে এসেও আমরা সেবা পাচ্ছি না।”
হাওরবেষ্টিত এ উপজেলার সাধারণ মানুষ দ্রুত সমস্যাটির সমাধান করে যথাযথ স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন।