চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্সি পেশার সঙ্গে প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার সংযোগ আরও জোরদার করতে দেশের ১৪টি সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ও প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সমঝোতা স্মারকের (এমওইউ) অ্যাডেনডাম সই করেছে ইনস্টিটিউট অব চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্টস অব বাংলাদেশ (আইসিএবি)।
বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) রাজধানীর সিএ ভবনের আইসিএবি অডিটোরিয়ামে এসব অ্যাডেনডামে স্বাক্ষর করা হয়। অনুষ্ঠানে সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয় ও প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।
অনুষ্ঠানে আইসিএবির প্রেসিডেন্ট সাব্বীর আহমেদ এফসিএ, ভাইস প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ রেদওয়ানুর রহমান এফসিএ, প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. কামরুজ্জামান এবং ডিরেক্টর মাসুদ পারভেজ এফসিএসহ কর্মকর্তারা বক্তব্য দেন।
স্বাক্ষরিত অ্যাডেনডামের আওতায় আইসিএবি ও সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো স্নাতক ও স্নাতকোত্তর পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্সি পেশায় আগ্রহী করে তুলতে যৌথভাবে কাজ করবে।
এ উদ্যোগের আওতায় যোগ্য শিক্ষার্থীরা সিএ পাঠ্যক্রমে ক্রেডিট ফর প্রায়র লার্নিং (সিপিএল) এবং প্রযোজ্য ক্ষেত্রে এক্সেম্পশন সুবিধা পাবেন। এর ফলে মেধাবী শিক্ষার্থীরা তুলনামূলক কম সময়ে চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট হিসেবে পেশাগত যোগ্যতা অর্জনের সুযোগ পাবেন বলে আশা করছে আইসিএবি।
আইসিএবি জানিয়েছে, এ সহযোগিতা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী ও গ্র্যাজুয়েটদের পেশাদার হিসাববিদ হিসেবে ক্যারিয়ার গড়ার সুযোগ বাড়ানোর পাশাপাশি প্রাতিষ্ঠানিক ও পেশাগত শিক্ষার মধ্যে সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করবে।
একই সঙ্গে যোগ্য চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট এবং আংশিকভাবে যোগ্যতা অর্জনকারী শিক্ষার্থীদের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ে উচ্চশিক্ষা ও গবেষণায় যুক্ত হওয়ার সুযোগ তৈরি হবে। এতে হিসাববিজ্ঞান ও ফিন্যান্স বিষয়ে শিক্ষা ও গবেষণার মান উন্নয়নে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।
আইসিএবি আরও জানায়, দেশের উন্নয়নে কার্যকর ভূমিকা রাখতে সক্ষম দক্ষ ও ভবিষ্যৎ চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় প্রস্তুত পেশাজীবী তৈরিতে বিশ্ববিদ্যালয় ও হিসাব পেশার মধ্যে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ গুরুত্বপূর্ণ। এ লক্ষ্যেই প্রতিষ্ঠানটি উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে সহযোগিতা বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়েছে।
এই কর্মসূচির আওতায় অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানগুলো যৌথ গবেষণা ও জ্ঞান বিনিময়ের সুযোগও খুঁজে দেখবে। এর মাধ্যমে শিক্ষক, শিক্ষার্থী, হিসাব পেশাজীবীসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন পক্ষের মধ্যে যোগাযোগ ও পারস্পরিক জ্ঞান বিনিময় আরও বাড়বে।
আইসিএবির মতে, এই উদ্যোগ সিএ পেশায় প্রবেশের সুযোগ সম্প্রসারণ, পেশাগত শিক্ষার মানোন্নয়ন এবং উচ্চশিক্ষা ও পেশাগত শিক্ষার মধ্যে আন্তঃসম্পর্ক জোরদারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।