
ইন্দোনেশিয়ায় অনুষ্ঠেয় এই টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণকারী দলগুলোর যাতায়াত ও আবাসনসহ আনুষঙ্গিক ব্যয়ের বড় অংশই বহন করবে আয়োজকরা। ফলে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) ওপর বাড়তি আর্থিক চাপ পড়ছে না। জাতীয় দল কমিটির একাধিক সদস্য বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
শুরুতে আসিয়ান কাপের জন্য বাংলাদেশকে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি। তালিকায় ছিল ভারত। পরে একটি দল সরে দাঁড়ালে পাকিস্তানকে সুযোগ দেওয়া হয়। তখন বাংলাদেশকে আমন্ত্রণ না জানানো নিয়ে দেশের ফুটবলাঙ্গনে প্রশ্ন ও সমালোচনা তৈরি হয়। শেষ পর্যন্ত ভারতও টুর্নামেন্ট থেকে নাম প্রত্যাহার করায় সেই শূন্যস্থানেই ঢোকার সুযোগ মিলছে বাংলাদেশের।
জানা গেছে, আগামী ৩ অক্টোবর ব্রাজিলের বিপক্ষে ম্যাচকে সামনে রেখে নিজেদের প্রস্তুতিতে বেশি গুরুত্ব দিতে চায় ভারত। সে কারণেই আসিয়ান কাপ থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে তারা। আর ভারতের এই সিদ্ধান্তই বাংলাদেশের সামনে খুলে দিয়েছে নতুন দরজা।
সেপ্টেম্বরে আন্তর্জাতিক ফুটবলের সূচি নিয়ে আগে থেকেই কিছুটা অনিশ্চয়তায় ছিল বাফুফে। ওই সময়ে ঢাকায় একটি টুর্নামেন্ট আয়োজনের পরিকল্পনার পাশাপাশি কিরগিজস্তানে খেলার আমন্ত্রণও পেয়েছিল বাংলাদেশ। ফলে জাতীয় দলের জন্য কোন সূচি বেছে নেওয়া হবে, তা নিয়ে ছিল দোটানা। আসিয়ান কাপের আমন্ত্রণ আসায় আপাতত সেই অনিশ্চয়তা অনেকটাই কেটে গেছে।
ভারতের জায়গায় বাংলাদেশকে ‘এ’ গ্রুপে রাখা হলে স্বাগতিক ইন্দোনেশিয়ার পাশাপাশি মালয়েশিয়া ও সিঙ্গাপুরের বিপক্ষে খেলতে হবে জামাল ভূঁইয়া-হামজা চৌধুরীদের। শক্তিশালী দলগুলোর বিপক্ষে ম্যাচগুলো জাতীয় দলের জন্য আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা ও প্রস্তুতির দিক থেকেও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।
সবকিছু ঠিক থাকলে শেষ মুহূর্তের এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে আসিয়ান কাপে নিজেদের সামর্থ্য প্রমাণের মঞ্চ পাবে বাংলাদেশ।