
গ্রেপ্তার হাসিবুল হাসান ফরিদপুরের নগরকান্দী থানার বেতলা এলাকার বাসিন্দা। তার বাবার নাম আতিয়ার মাতাব্বর।
র্যাব-৩ জানায়, হাসিবুল হাসান প্রতারণার মাধ্যমে অন্যের নাম, সিল ও স্বাক্ষর জাল করে ভুয়া দলিলপত্র তৈরি করতেন। এসব জাল কাগজপত্র ব্যবহার করে তিনি বিভিন্ন ব্যক্তির কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ আত্মসাৎ করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। তার জালিয়াতির বিষয়টি প্রকাশ্যে এলে ভুক্তভোগীরা রাজধানীর যাত্রাবাড়ী, আদাবর ও বাড্ডা থানায় তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা করেন।
মামলার নথি অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ১৯ মার্চ গোপালগঞ্জের যুগ্ম দায়রা জজ দ্বিতীয় আদালত নেগোশিয়েবল ইনস্ট্রুমেন্ট (এনআই) অ্যাক্টের ১৩৮ ধারার মামলায় হাসিবুল হাসানকে দোষী সাব্যস্ত করেন। আদালত তাকে ২০ লাখ টাকা জরিমানা এবং এক বছর ছয় মাসের সশ্রম কারাদণ্ড দেন। পরে তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হলে তিনি আত্মগোপনে চলে যান।
র্যাবের দাবি, গ্রেপ্তার এড়াতে হাসিবুল দেশের বিভিন্ন স্থানে ছদ্মবেশে অবস্থান করছিলেন। এ সময় নিজের নাম ও বেশভূষায় পরিবর্তন এনে তিনি আত্মগোপনে ছিলেন।
ফরিদপুরের নগরকান্দী থানার অধিযাচনের ভিত্তিতে র্যাব-৩-এর একটি বিশেষ আভিযানিক দল তার অবস্থান শনাক্ত করে। পরে বুধবার রাতে মতিঝিলের বিটিসিএল কলোনীর সামনে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার আসামির বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে র্যাব।