প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভারত সফরের বিষয়ে এখনো কোনো নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান। তিনি বলেন, ভারত সফর নিয়ে সরকারের পক্ষ থেকে এখনো চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি।
সোমবার (১০ আগস্ট) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা জানান।
এর আগে একই দিন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী। সাক্ষাতের পর প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফর এবং দুই দেশের সম্পর্ক নিয়ে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী।
‘আমি গণক নই’
ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক কবে নাগাদ স্বাভাবিক হবে, সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে খলিলুর রহমান বলেন, ‘আমি গণক নই; সুতরাং বলতে পারব না কবে নাগাদ সম্পর্ক স্বাভাবিক হবে।’
প্রধানমন্ত্রীকে ভারত থেকে দুটি আমন্ত্রণের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, একটি আমন্ত্রণ এসেছে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর কাছ থেকে। সরকার গঠনের দিন ওই চিঠি হস্তান্তর করা হয়েছিল।
বিমসটেকের আমন্ত্রণ প্রসঙ্গে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রীকে ব্যক্তিগতভাবে নয়, বিমসটেকের চেয়ারপারসন হিসেবে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। এই পার্থক্যটি বোঝা প্রয়োজন বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফর নিয়ে সোমবারের বৈঠকে কোনো আলোচনা বা সিদ্ধান্ত হয়েছে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী সরাসরি বলেন, এখনো এ বিষয়ে কোনো নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি।
তিনি বলেন, ভারতের পক্ষ থেকে থাকা আরেকটি আমন্ত্রণও সরকার বিবেচনা করবে।
প্রধানমন্ত্রী ও ভারতীয় হাইকমিশনারের বৈঠকে গঙ্গা চুক্তি নিয়ে কোনো আলোচনা হয়েছে কি না জানতে চাইলে খলিলুর রহমান বলেন, বৈঠকটি ছিল সম্পূর্ণ সৌজন্য সাক্ষাৎ।
তার ভাষ্য, একজন হাইকমিশনারের সঙ্গে সরকারপ্রধানের সৌজন্য সাক্ষাতে সাধারণত কোনো চুক্তি বা এ ধরনের সুনির্দিষ্ট বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয় না।
এ সময় সাংবাদিকদের কূটনৈতিক প্রটোকল ও বিভিন্ন পর্যায়ের বৈঠকের ধরন সম্পর্কে বোঝার পরামর্শ দেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী।