আগস্টেই খুলছে ঢাকা-আশুলিয়া এক্সপ্রেসওয়ের সার্ভিস লেন

ভোরের ডাক ডেস্ক

জাতীয়

রাজধানীর যানজট কমাতে নির্মাণাধীন ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে প্রকল্পে প্রতি কিলোমিটারে নির্মাণ ব্যয় ৪২৩ কোটি টাকা বেড়েছে। শুরুতে প্রতি কিলোমিটারে ব্যয়

2026-08-01T20:59:48+00:00
2026-08-01T20:59:48+00:00
  রবিবার, ২ আগস্ট ২০২৬,
১৮ শ্রাবণ ১৪৩৩
 
রবিবার, ২ আগস্ট ২০২৬
জাতীয়
আগস্টেই খুলছে ঢাকা-আশুলিয়া এক্সপ্রেসওয়ের সার্ভিস লেন
কিলোমিটারে ব্যয় বেড়েছে ৪২৩ কোটি
ভোরের ডাক ডেস্ক
শনিবার, ১ আগস্ট, ২০২৬, ৮:৫৯ পিএম 
আগস্টেই খুলছে ঢাকা-আশুলিয়া এক্সপ্রেসওয়ের সার্ভিস লেন
রাজধানীর যানজট কমাতে নির্মাণাধীন ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে প্রকল্পে প্রতি কিলোমিটারে নির্মাণ ব্যয় ৪২৩ কোটি টাকা বেড়েছে। শুরুতে প্রতি কিলোমিটারে ব্যয় ধরা হয়েছিল ৭০৪ কোটি টাকা, যা এখন বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ১২৭ কোটি টাকায়। একই সঙ্গে প্রকল্পের মোট ব্যয় ১৭ হাজার ৫৫৩ কোটি টাকা থেকে বেড়ে হয়েছে ২৭ হাজার ৪৬ কোটি টাকা। তবে ব্যয় বৃদ্ধির পাশাপাশি প্রকল্পের অগ্রগতিও দৃশ্যমান হয়েছে। আগামী ১০ আগস্টের মধ্যে ধউর-আশুলিয়া অংশের দুটি সার্ভিস লেন সেতু যান চলাচলের জন্য খুলে দেওয়ার প্রস্তুতি চলছে।

প্রকল্প সূত্র জানায়, জুন ২০২৬ পর্যন্ত প্রকল্পের সার্বিক অগ্রগতি ৭১ দশমিক ৫০ শতাংশ এবং ভৌত অগ্রগতি প্রায় ৬৫ শতাংশে পৌঁছেছে। ধউর মোড় থেকে আশুলিয়া বাজার পর্যন্ত প্রায় ৩ দশমিক ৭১ কিলোমিটার দীর্ঘ সার্ভিস লেনের নির্মাণকাজ প্রায় শেষ। ইতোমধ্যে পিচঢালাই সম্পন্ন হয়েছে, চলছে রোড মার্কিংয়ের কাজ। সার্ভিস লেন চালু হলে নিচের বিদ্যমান সড়ক বন্ধ করে মূল এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের ভায়াডাক্ট নির্মাণ শুরু করা হবে এবং পুরোনো সেতুগুলো অপসারণ করা হবে।

প্রকল্প পরিচালক মো. শফিকুল ইসলাম জানান, ডিসেম্বরের মধ্যে আব্দুল্লাহপুর থেকে ধউর পর্যন্ত একপাশের মূল সড়কও যান চলাচলের জন্য খুলে দেওয়ার লক্ষ্য রয়েছে। একই সঙ্গে সুইস গেট র‌্যাম্প হয়ে ধউর ও আশুলিয়া পর্যন্ত যান চলাচলের ব্যবস্থা করা হবে। তিনি বলেন, বর্তমানে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হলো পল্লী বিদ্যুতের ৩৩ কেভি ও ১১ কেভি লাইন স্থানান্তর, যা আগামী এক মাসের মধ্যে শেষ করার চেষ্টা চলছে।

প্রকল্পের ব্যয় বৃদ্ধির কারণ হিসেবে সরকার জানিয়েছে, ডলারের বিনিময় হার বৃদ্ধি, ভ্যাট-ট্যাক্স সমন্বয়, ইউটিলিটি লাইন স্থানান্তর এবং নতুন কয়েকটি উপাদান সংযোজনের কারণে অতিরিক্ত ব্যয় হয়েছে। তবে বর্তমান অনুমোদিত বরাদ্দের মধ্যেই প্রকল্প শেষ করার চেষ্টা করা হবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

এদিকে যোগাযোগ বিশেষজ্ঞ ও বুয়েটের অধ্যাপক মো. হাদিউজ্জামান মনে করেন, প্রায় ১০ হাজার কোটি টাকা অতিরিক্ত ব্যয় যুক্ত হওয়ায় প্রকল্পটির অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক সম্ভাব্যতা নতুন করে মূল্যায়ন করা প্রয়োজন। তাঁর মতে, শুরুতেই অতিরিক্ত জমি, ড্রেনেজ ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় বিষয় পরিকল্পনায় অন্তর্ভুক্ত করা হলে পরবর্তী সময়ে বড় ধরনের ব্যয় বৃদ্ধি এড়ানো যেত।

২৪ কিলোমিটার দীর্ঘ ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়েতে থাকবে ১৪টি র‌্যাম্প, নবীনগরে ১ দশমিক ৯৫ কিলোমিটার উড়ালপথ, আশুলিয়া-ধউর বেড়িবাঁধ এলাকায় ২ দশমিক ৭২ কিলোমিটার সেতু, ১৪ দশমিক ২৮ কিলোমিটার সংযোগ সড়ক এবং ১৮ কিলোমিটার ড্রেনেজ-ডাক্ট। প্রকল্পটি চালু হলে এশিয়ান হাইওয়ের সঙ্গে সংযোগের পাশাপাশি দেশের বিভিন্ন মহাসড়কের মধ্যে দ্রুত যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে উঠবে।


Loading...
Loading...

জাতীয়- এর আরো খবর

Loading...
Loading...
© 2026 Daily Daily Bhorer Dak
সম্পাদক ও প্রকাশক : কে.এম. বেলায়েত হোসেন
৪-ডি, মেহেরবা প্লাজা, ৩৩ তোপখানা রোড, ঢাকা-১০০০ থেকে প্রকাশিত এবং মনিরামপুর প্রিন্টিং প্রেস ৭৬/এ নয়াপল্টন, ঢাকা থেকে মুদ্রিত। পিএবিএক্স: ৪১০৫২২৪৫, ৪১০৫২২৪৬, ০১৭৭৫-৩৭১১৬৭, বিজ্ঞাপন ও সার্কুলেশন: ৪১০৫২২৫৮
ই-মেইল : [email protected], [email protected]
ফলো করুন: