নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের প্রস্তুতি শুরু করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। তফসিল ঘোষণাসহ সাংবিধানিক প্রক্রিয়া নিয়ে আলোচনার জন্য জাতীয় সংসদের ভারপ্রাপ্ত স্পিকারের সঙ্গে সাক্ষাতের সময় চেয়ে চিঠি দিয়েছে কমিশন। সংবিধান অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগের পর শূন্য হওয়া পদে ৯০ দিনের মধ্যেই নির্বাচন সম্পন্ন করতে হবে।
রাষ্ট্রপতি নির্বাচনকে সামনে রেখে জাতীয় সংসদের ভারপ্রাপ্ত স্পিকারের সঙ্গে বৈঠকের উদ্যোগ নিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এ লক্ষ্যে সাক্ষাতের সময় চেয়ে সংসদ সচিবের কাছে চিঠি পাঠিয়েছে কমিশন। তবে এখনো বৈঠকের নির্দিষ্ট দিন-তারিখ ঠিক হয়নি।
সোমবার (২৭ জুলাই) নির্বাচন কমিশন সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
ইসির জ্যেষ্ঠ সচিব আখতার আহমেদের সই করা চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, গত ২৪ জুলাই রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করেছেন। সংবিধানের ১২৩(২) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হওয়ার ৯০ দিনের মধ্যে নির্বাচন আয়োজন বাধ্যতামূলক।
চিঠিতে আরও বলা হয়, রাষ্ট্রপতি নির্বাচন আইন, ১৯৯১ অনুযায়ী স্পিকারের সঙ্গে আলোচনা করে নির্বাচন কমিশন সরকারি গেজেটে তফসিল ঘোষণা করবে। এজন্য ভারপ্রাপ্ত স্পিকারের সুবিধাজনক সময়ে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের সাক্ষাতের ব্যবস্থা করার অনুরোধ জানানো হয়েছে।
বৈঠকে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের সঙ্গে অন্য নির্বাচন কমিশনাররা এবং নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের জ্যেষ্ঠ সচিব উপস্থিত থাকবেন। পাশাপাশি সহযোগী কর্মকর্তা হিসেবে আরও দুজন কর্মকর্তা স্পিকারের দপ্তরে থাকবেন।
নিয়ম অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে সংসদ সদস্যরাই ভোটার। তাই সংসদ সচিবালয় থেকে সংসদ সদস্যদের তালিকা পাওয়ার পর ইসি ভোটার তালিকা চূড়ান্ত করবে। এরপর রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হবে।
উল্লেখ্য, গত শুক্রবার রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন পদত্যাগ করলে সাংবিধানিক বিধান অনুযায়ী জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব গ্রহণ করেন। একই সঙ্গে ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল ভারপ্রাপ্ত স্পিকারের দায়িত্ব পালন করছেন। সংবিধান অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হওয়ার ৯০ দিনের মধ্যেই নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন সম্পন্ন করতে হবে।