বিশ্বকাপের ফাইনালে শুরু থেকেই রক্ষণাত্মক কৌশল বেছে নেয় আর্জেন্টিনা। নিজেদের অর্ধে নেমে সংগঠিত ডিফেন্স গড়ে স্পেনের আক্রমণভাগকে জায়গা না দেওয়ার চেষ্টা করে বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা। অন্যদিকে বলের দখল ও আক্রমণে এগিয়ে থেকেও নির্ধারিত ৯০ মিনিটে জালের দেখা পায়নি স্পেন। ফলে গোলশূন্য সমতায় ম্যাচ গড়িয়েছে অতিরিক্ত সময়ে।
ম্যাচের শুরুতেই গোলের দারুণ সুযোগ তৈরি করে স্পেন। পঞ্চম মিনিটে লামিনে ইয়ামালের আক্রমণ থেকে বিপজ্জনক মুহূর্তের সৃষ্টি হয়। বক্সে তার ক্রস প্রতিপক্ষের গায়ে লেগে দানি ওলমোর সামনে চলে আসে। ওলমো চমৎকারভাবে বলটি আবার ইয়ামালের পথে ফিরিয়ে দেন। তবে শট নেওয়ার আগেই লিসান্দ্রো মার্টিনেজ ও গোলরক্ষক এমিলিয়ানো মার্টিনেজের দুর্দান্ত প্রতিরোধে সেই সুযোগ নষ্ট হয়।
প্রথমার্ধে বলের দখল ও আক্রমণে স্পষ্ট আধিপত্য ছিল স্পেনের। কিন্তু সুযোগ কাজে লাগাতে ব্যর্থ হওয়ায় গোল করতে পারেনি তারা। বিপরীতে পুরো প্রথমার্ধে একটি শটও নিতে পারেনি আর্জেন্টিনা। প্রথম ৪৫ মিনিটে ম্যাচে মোট তিনটি শট হয়, যার সবকটিই নেয় স্পেন।
বিরতির পরও ম্যাচের চিত্রে তেমন পরিবর্তন আসেনি। স্পেন ধারাবাহিকভাবে আক্রমণ চালালেও আর্জেন্টিনার রক্ষণ ও গোলরক্ষক এমিলিয়ানো মার্টিনেজ দৃঢ়তা দেখান।
তবে ম্যাচের যোগ করা সময়ের তৃতীয় মিনিটে (৯০+৩) বড় ধাক্কা খায় আর্জেন্টিনা। আলগা বলের দখল নিতে গিয়ে স্পেনের ডিফেন্ডার পাও কুবার্সির ওপর বিপজ্জনক ট্যাকল করেন এনসো ফার্নান্দেজ। এতে দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখিয়ে তাকে লাল কার্ড দেন রেফারি। ফলে শেষ মুহূর্তে ১০ জনের দলে পরিণত হয় আর্জেন্টিনা।
তবুও নির্ধারিত সময়ে কোনো দলই গোলের দেখা না পাওয়ায় বিশ্বকাপের শিরোপা নির্ধারণের লড়াই গড়িয়েছে অতিরিক্ত সময়ে।