চট্টগ্রাম বিভাগে বন্যা: ৩৪ হাজার ৭২৩ জন আশ্রয়কেন্দ্রে, প্রাণহানি বেড়ে ৫০

চট্টগ্রাম ব্যুরো

সারাদেশ

টানা ভারী বর্ষণ, পাহাড়ি ঢল ও উজানের পানিতে সৃষ্ট বন্যায় চট্টগ্রাম বিভাগে প্রাণহানির সংখ্যা বেড়ে ৫০ জনে দাঁড়িয়েছে। এখনো বিভাগের

2026-07-12T18:21:30+00:00
2026-07-12T18:21:30+00:00
  সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬,
২৯ আষাঢ় ১৪৩৩
 
সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬
সারাদেশ
চট্টগ্রাম বিভাগে বন্যা: ৩৪ হাজার ৭২৩ জন আশ্রয়কেন্দ্রে, প্রাণহানি বেড়ে ৫০
চট্টগ্রাম ব্যুরো
রোববার, ১২ জুলাই, ২০২৬, ৬:২১ পিএম 
ছবি ভোরের ডাক
টানা ভারী বর্ষণ, পাহাড়ি ঢল ও উজানের পানিতে সৃষ্ট বন্যায় চট্টগ্রাম বিভাগে প্রাণহানির সংখ্যা বেড়ে ৫০ জনে দাঁড়িয়েছে। এখনো বিভাগের ৩ হাজার ৯৪১টি আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থান করছেন ৩৪ হাজার ৭২৩ জন মানুষ। বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ৭৯ হাজার ১৮৭টি বসতঘর, ৩৪৪টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, ৩ হাজার ৮৪০ কিলোমিটার সড়ক এবং ৩৩৯টি সেতু-কালভার্ট। রোববার চট্টগ্রাম বিভাগীয় কার্যালয় সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

বিভাগের ১১ জেলার ৪০৮টি ইউনিয়ন ও পৌরসভা বন্যাকবলিত হয়েছে। এর মধ্যে চট্টগ্রামে সর্বোচ্চ ১৭৬টি ইউনিয়ন ও পৌরসভা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এছাড়া কক্সবাজারে ৭৪টি, রাঙামাটিতে ৪২টি, খাগড়াছড়িতে ৪১টি এবং বান্দরবানে ৩৬টি ইউনিয়ন ও পৌরসভা বন্যার কবলে পড়েছে।

সবচেয়ে বেশি প্রাণহানি হয়েছে কক্সবাজারে, যেখানে মারা গেছেন ২৮ জন। চট্টগ্রামে ১৩ জন, বান্দরবানে ৬ জন এবং রাঙামাটিতে ৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া রাঙামাটি ও কক্সবাজারে একজন করে মোট দুজন এখনো নিখোঁজ রয়েছেন।

আশ্রয়কেন্দ্রে সবচেয়ে বেশি মানুষ রয়েছেন চট্টগ্রাম জেলায়। জেলার ৬৭০টি আশ্রয়কেন্দ্রে আশ্রয় নিয়েছেন ২২ হাজার ৬০০ জন। এছাড়া কক্সবাজারের ৬১৮টি আশ্রয়কেন্দ্রে ১ হাজার ৫৮০ জন, বান্দরবানের ২০০টিতে ৬ হাজার ২৫০ জন, রাঙামাটির ৫৩টিতে ৩ হাজার ৯০৩ জন এবং খাগড়াছড়ির ১৫০টিতে ৫৮১ জন অবস্থান করছেন।

বন্যায় কক্সবাজারে ৪৮ হাজার ৬৩টি, বান্দরবানে ১৫ হাজার ৩৩০টি, চট্টগ্রামে ১৪ হাজার ২৮১টি, রাঙামাটিতে ৪৭৩টি এবং খাগড়াছড়িতে ১ হাজার ৪০টি বসতঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তায় এ পর্যন্ত ৯২৩ মেট্রিক টন চাল, ৭ হাজার ২৮১ প্যাকেট শুকনা খাবার এবং ১ কোটি ২৭ লাখ টাকা বিতরণ করা হয়েছে।

এদিকে, টানা এক সপ্তাহের ভারী বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে চট্টগ্রাম জেলার বন্যা পরিস্থিতি এখনো ভয়াবহ। সাতকানিয়া, লোহাগাড়া, বাঁশখালী ও চন্দনাইশ উপজেলার বিস্তীর্ণ এলাকা পানির নিচে রয়েছে। শনিবার বৃষ্টির তীব্রতা কিছুটা কমলেও রোববার সকাল থেকে আবারও ভারী বর্ষণ শুরু হওয়ায় দুর্গত মানুষের উদ্বেগ বেড়েছে।

প্রশাসন ও স্থানীয় সূত্র জানায়, এই চার উপজেলায় অন্তত ৮ লাখ মানুষ এখনো পানিবন্দি হয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন।


Loading...
Loading...

সারাদেশ- এর আরো খবর

Loading...
Loading...
© 2026 Daily Daily Bhorer Dak
সম্পাদক ও প্রকাশক : কে.এম. বেলায়েত হোসেন
৪-ডি, মেহেরবা প্লাজা, ৩৩ তোপখানা রোড, ঢাকা-১০০০ থেকে প্রকাশিত এবং মনিরামপুর প্রিন্টিং প্রেস ৭৬/এ নয়াপল্টন, ঢাকা থেকে মুদ্রিত। পিএবিএক্স: ৪১০৫২২৪৫, ৪১০৫২২৪৬, ০১৭৭৫-৩৭১১৬৭, বিজ্ঞাপন ও সার্কুলেশন: ৪১০৫২২৫৮
ই-মেইল : [email protected], [email protected]
ফলো করুন: