রোমাঞ্চকর লড়াই শেষে স্পেনের উল্লাস, বিদায় নিল বেলজিয়াম
ক্রীড়া ডেস্ক
শনিবার, ১১ জুলাই, ২০২৬, ৩:১৭ এএম
রোমাঞ্চকর লড়াই শেষে স্পেনের উল্লাস, বিদায় নিল বেলজিয়াম
গোলের লড়াই, দখলের লড়াই—সব মিলিয়ে মাঠে ছিল টানটান উত্তেজনা। শুরুতেই আধিপত্য দেখিয়ে বার্তা দিয়েছিল স্পেন, মাঝপথে সমতায় ফিরে লড়াই জমিয়ে তুলেছিল বেলজিয়ামও। তবে শেষ হাসি হাসল সেই দলই, যারা শেষ পর্যন্ত নিজেদের ছন্দ ধরে রাখতে পেরেছে। এক গোলের ব্যবধানে বেলজিয়ামকে পেছনে ফেলে সেমিফাইনালের মঞ্চে জায়গা করে নিল লা ফুয়েন্তের স্পেন।
ম্যাচের শুরুতে পেদ্রির পরিবর্তে আজ শুরুর একাদশে সুযোগ পেয়েছিলেন ফাভিয়ান রুইজ। কোচের সেই আস্থার প্রতিদান দিতে বেশি সময় নেননি তিনি। ম্যাচের ৩০তম মিনিটে চমৎকার এক দলীয় আক্রমণ থেকে স্পেনকে লিড এনে দেন এই মিডফিল্ডার।
ডি-বক্সের খুব কাছ থেকে দানি ওলমোর নেওয়া জোরালো শটটি বেলজিয়ান গোলরক্ষক থিবো কোর্তোয়া দুর্দান্তভাবে প্রতিহত করলেও পুরোপুরি ক্লিয়ার করতে পারেননি। রিবাউন্ড থেকে ধেয়ে আসা বল লুফে নিতে কোনো ভুল করেননি রুইজ। তার নেওয়া শটটি বেলজিয়ান ডিফেন্ডারের গায়ে লেগে দিক পরিবর্তন করে সরাসরি জড়িয়ে যায় জালে। ১-০ গোলে পিছিয়ে পড়ে তখন চড়া পরীক্ষার মুখে পড়ে বেলজিয়াম।
তবে গোল হজমের পর ম্যাচে ফিরতে মরিয়া হয়ে ওঠে বেলজিয়াম। স্পেনের এতদিনের অভেদ্য রক্ষণভাগকে ফাঁকি দিয়ে চমৎকার এক পাল্টা-আক্রমণ সাজায় তারা। ম্যাচের ৪১তম মিনিটে নিখুঁত এক ফিনিশিংয়ে স্প্যানিশ গোলরক্ষক উনাই সিমনকে পরাস্ত করে বল জালের ঠিকানায় পাঠান চার্লস ডি কেটেলারা।
চলতি বিশ্বকাপে এটিই স্পেনের জালে জড়ানো প্রথম গোল। টুর্নামেন্টে এখন পর্যন্ত একটি গোলও হজম না করা স্পেনের শক্তিশালী রক্ষণদুর্গ অবশেষে ভাঙতে সফল হলো বেলজিয়াম। ডি কেটেলারার এই গোলের পর ম্যাচে ১-১ সমতা নিয়ে বিরতিতে গেছে দুই দল।
ম্যাচের ৮৮ মিনিটে আবারো গোলের দেখা পায় স্পেন। ৮৬ মিনিটে বদলি হিসেবে মাঠে নেমেই গোল করে দলকে এগিয়ে দেন মিকেল মেরিনো। শেষ পর্যন্ত ২-১ গোলের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে স্পেন।
৪-ডি, মেহেরবা প্লাজা, ৩৩ তোপখানা রোড, ঢাকা-১০০০ থেকে প্রকাশিত এবং মনিরামপুর প্রিন্টিং প্রেস ৭৬/এ নয়াপল্টন, ঢাকা থেকে মুদ্রিত।
পিএবিএক্স: ৪১০৫২২৪৫, ৪১০৫২২৪৬, ০১৭৭৫-৩৭১১৬৭, বিজ্ঞাপন ও সার্কুলেশন: ৪১০৫২২৫৮