সিরিজ বাঁচানোর লড়াইয়ে দ্বিতীয় ওয়ানডেতে প্রথমে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছিল বাংলাদেশ। ব্যাট করতে নেমে স্বাগতিক জিম্বাবুয়ে শেষ পর্যন্ত ৬ উইকেটে ২৪৭ রান সংগ্রহ করেছে। ফলে ম্যাচ জিততে বাংলাদেশকে করতে হবে ২৪৮ রান।
শুরুতে বল হাতে দারুণ নিয়ন্ত্রণ দেখিয়েছিল বাংলাদেশ। টাইগার বোলারদের আক্রমণে মাত্র ৬৬ রানের মধ্যেই ৪ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় জিম্বাবুয়ে। তবে এরপর দলের হাল ধরেন বেন কারান। দায়িত্বশীল ব্যাটিংয়ে তুলে নেন দুর্দান্ত এক সেঞ্চুরি।
বাংলাদেশ ১৪৮ রানে জিম্বাবুয়ের ষষ্ঠ উইকেট তুলে নিলেও এরপর আর স্বাগতিকদের চাপে রাখতে পারেনি। সিকান্দার রাজা কারানের সঙ্গে জুটি গড়ে পরিস্থিতি সামাল দেন। পঞ্চম উইকেটে তারা যোগ করেন ৬৮ রান। রাজা ফিরে যাওয়ার পর মাদান্দে ও কারানের জুটি বড় না হলেও শেষ দিকে জিম্বাবুয়ের হয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন কারান ও ব্র্যাড ইভান্স।
ইনিংসের শেষ দিকে আক্রমণাত্মক ব্যাটিং করে ম্যাচের চিত্র বদলে দেন ইভান্স। মাত্র ৩৮ বলে অপরাজিত ৫৮ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলেন তিনি। তার ইনিংসে ছিল ২টি চার ও ৫টি ছক্কা।
অন্যদিকে শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত উইকেটে থেকে দলকে বড় সংগ্রহ এনে দেন বেন কারান। ১৩৫ বলে ৯টি চারের সাহায্যে অপরাজিত ১১১ রান করেন তিনি।
কারান ও ইভান্সের সপ্তম উইকেটের অবিচ্ছিন্ন ৯৯ রানের জুটিতেই শেষ পর্যন্ত ৬ উইকেটে ২৪৭ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় জিম্বাবুয়ে।
বাংলাদেশের হয়ে বল হাতে সবচেয়ে সফল ছিলেন তাসকিন আহমেদ। ৫৭ রান খরচায় তিনি নিয়েছেন ২টি উইকেট। মেহেদী হাসান মিরাজ ৩২ রানে পেয়েছেন ২ উইকেট। এছাড়া নাহিদ রানা ও রিশাদ হোসেন একটি করে উইকেট শিকার করেন।