নীলফামারীর ডিমলা উপজেলায় বসতভিটার জমি নিয়ে দীর্ঘদিনের বিরোধের জেরে দুই দফায় রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ, হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটেছে। এতে অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে দুজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে। তাদের ডিমলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
থানা ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার পশ্চিম ছাতনাই ইউনিয়নের ঠাকুরগঞ্জ হাজীপাড়া গ্রামে শুক্রবার বিকেলে প্রথম দফায় দুই পক্ষের সংঘর্ষে অন্তত ১০ জন আহত হন।
আহতদের মধ্যে রয়েছেন আনোয়ার হোসেন (২৫), কহিনুর বেগম (৩৫), সাবলু রহমান (৫৫), আব্দুল হান্নান (২০) ও সাফিউল ইসলাম (৩০)। চিকিৎসকদের ভাষ্য, আনোয়ার হোসেন ও কহিনুর বেগমের অবস্থা গুরুতর।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মৃত হোসেন আলীর ছেলে আব্দুস সোবহান (২৭) এবং একই গ্রামের মৃত মছির উদ্দিনের ছেলে সাবলু রহমানের মধ্যে বসতভিটার জমি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এর জেরে শুক্রবার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে উভয় পক্ষ দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ১০ জন আহত হন।
এদিকে শনিবার সকাল ৯টার দিকে আব্দুস সোবহানের পরিবারের সদস্যরা অভিযোগ করেন, সাবলু রহমানের সমর্থকেরা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে তাদের বাড়িতে হামলা চালিয়ে ব্যাপক ভাঙচুর ও লুটপাট চালায়। হামলাকারীরা নগদ টাকা, স্বর্ণালংকারসহ মূল্যবান মালামাল লুট করে নিয়ে গেছে বলেও তারা দাবি করেন।
ঘটনার পর এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। নতুন করে সংঘর্ষ এড়াতে পুলিশ পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে।
ডিমলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বলেন, জমি-সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ ও হামলার ঘটনা ঘটেছে। অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।