টাইব্রেকারে অস্ট্রেলিয়াকে বিদায় করে শেষ ষোলো নিশ্চিত করল মিসর
ক্রীড়া ডেস্ক
শনিবার, ৪ জুলাই, ২০২৬, ৩:১৬ এএম
সংগৃহীত ছবি
৯২ বছর পর বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে ফিরে শুরুটা দারুণভাবে করেছিল মিসর। ম্যাচের শুরুতেই এগিয়ে গেলেও দ্বিতীয়ার্ধে আত্মঘাতী গোলে সমতায় ফেরে অস্ট্রেলিয়া। নির্ধারিত সময় ও অতিরিক্ত সময়েও আর কোনো গোল না হওয়ায় ম্যাচ গড়ায় টাইব্রেকারে, যেখানে রুদ্ধশ্বাস লড়াইয়ে জয় তুলে নিয়ে শেষ-১৬ নিশ্চিত করে মোহাম্মদ সালাহর দল।
ফ্রি-কিক থেকে দারুণ এক পরিকল্পিত আক্রমণ সাজায় মিসর। সরাসরি শট না নিয়ে সালাহ ছোট পাস দেন ইমান আশুরকে। আশুরের প্রথম শটটি প্রতিপক্ষের ডিফেন্ডারের গায়ে লেগে ফিরে আসে। তবে ফিরতি বলে হেড থেকে জালে বল জড়ান তিনি। একমাত্র ওই গোলে এগিয়ে থেকে প্রথমার্ধ শেষ করে মিসর।
বিরতির পরপরই গোলের সুযোগ পেয়েছিল মিসর। কিন্তু গোলরক্ষককে একা পেয়েও লক্ষ্যভেদে ব্যর্থ হন ওমর মারমুশ। উল্টো ৫৫ মিনিটে মোহাম্মদ হানির করা আত্মঘাতী গোলে সমতায় ফেরে অস্ট্রেলিয়া। ফ্রি–কিক থেকে উড়ে আসা বলটিকে ক্লিয়ার করতে চেয়েছিলেন হানি। কিন্তু ঠিকঠাক সংযোগে ব্যর্থ হওয়ায় বল জড়ায় নিজেদের জালে।
যোগ করা সময়ে দারুণ এক সেভে অস্ট্রেলিয়ার আশা বাঁচিয়ে রাখেন গোলরক্ষক প্যাট্রিক বিচ। নির্ধারিত সময়ের খেলা শেষ হয় ১-১ গোলের ব্যবধানে।
অতিরিক্ত ৩০ মিনিটে দুদলই তেমন কোনো বড় সুযোগ তৈরি করতে পারেনি। টাইব্রেকারের আগে গোলরক্ষক বদলি করে অস্ট্রেলিয়া। প্যাট্রিক বিচের বদলে মাঠে নামানো হয় ম্যাথু রায়ানকে।
টাইব্রেকারে প্রথম শটটাই মিস করে অস্ট্রেলিয়া। হ্যারি শুটারের বল চলে যায় বারের ওপর দিয়ে। পরের দুটো শটে অবশ্য গোল পেয়েছেন জ্যাকসন আরবিন এবং আওয়ার মাবিল। মিসরের হয়ে প্রথম ৩টি শটে লক্ষ্যভেদ করেন মাহমুদ সাবের, রামি রাবিয়া এবং মোহাম্মদ সালাহ।
অস্ট্রেলিয়ার লুকাস হেরিংটনের চতুর্থ শটটা বারে লেগে মিস হলে হার অনেকটাই নিশ্চিত হয়ে যায় অস্ট্রেলিয়ার। আবদেল মাগিদ জালে বল জড়িয়ে শেষ পেরেকটা ঠুকেন এবং মিসরকে তোলেন পরের রাউন্ডে।
৪-ডি, মেহেরবা প্লাজা, ৩৩ তোপখানা রোড, ঢাকা-১০০০ থেকে প্রকাশিত এবং মনিরামপুর প্রিন্টিং প্রেস ৭৬/এ নয়াপল্টন, ঢাকা থেকে মুদ্রিত।
পিএবিএক্স: ৪১০৫২২৪৫, ৪১০৫২২৪৬, ০১৭৭৫-৩৭১১৬৭, বিজ্ঞাপন ও সার্কুলেশন: ৪১০৫২২৫৮