
প্রথম মিনিটেই ব্রায়ান সিপেঙ্গার গোলে পিছিয়ে পড়ে ইংল্যান্ড। এরপর প্রথমার্ধজুড়ে একের পর এক আক্রমণ চালিয়েও সমতায় ফিরতে পারেনি থ্রি লায়নরা।
তবে বিরতির পর বদলে যায় ম্যাচের চিত্র। আক্রমণের গতি আরও বাড়িয়ে প্রতিপক্ষের রক্ষণে লাগাতার চাপ সৃষ্টি করে ইংল্যান্ড। এর ফল মেলে ৭৫তম মিনিটে। অ্যান্থনি গর্ডনের নিখুঁত ক্রস থেকে দুর্দান্ত হেডে সমতা ফেরান অধিনায়ক হ্যারি কেইন।
সমতায় ফেরার পরও থামেনি ইংল্যান্ড। ম্যাচের ৮৬তম মিনিটে আবারও গোল করে দলকে ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে দেন কেইন। তার জোড়া গোলেই দারুণ প্রত্যাবর্তনের জয় নিশ্চিত করে বিশ্বকাপের শেষ ষোলোর টিকিট কাটে থ্রি লায়নরা।
এই জয়ের মাধ্যমে ইংল্যান্ড গড়েছে অনন্য এক ইতিহাসও। ১৯৬৬ সালের পর বিশ্বকাপে কোনো ম্যাচে প্রথমে গোল হজম করে পিছিয়ে পড়ার পর এবারই প্রথম জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ল তারা। সেই ঐতিহাসিক প্রত্যাবর্তনের নায়ক হলেন অধিনায়ক হ্যারি কেইন। অন্যদিকে দুর্দান্ত লড়াই করেও শেষ পর্যন্ত বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নিতে হলো ডিআর কঙ্গোকে।