ফিলিপাইনের দক্ষিণাঞ্চলের মিন্দানাও দ্বীপে ৬ দশমিক ৫ মাত্রার একটি শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে।
শুক্রবার (২৬ জুন) তুরস্কের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম আনাদোলু এজেন্সির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (ইউএসজিএস) জানিয়েছে, স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৭টা ৩৪ মিনিটে দাভাও অক্সিডেন্টালের সারাঙ্গানি এলাকার কাছে ভূমিকম্পটি অনুভূত হয়। ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ভূ-পৃষ্ঠ থেকে ৫২ দশমিক ৪ কিলোমিটার গভীরে ছিল।
আনাদোলু জানায়, ভূমিকম্পের পর তাৎক্ষণিকভাবে কোনো হতাহত বা বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।
এর আগে গত ৮ জুন একই অঞ্চলের সারাঙ্গানি প্রদেশের উপকূলে ৭ দশমিক ৮ মাত্রার একটি শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হানে। ওই ঘটনায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয় এবং অন্তত ৭৮ জন নিহত হন, পাশাপাশি প্রায় ১৫ লাখ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হন।
ফিলিপাইন ভৌগোলিকভাবে ‘প্যাসিফিক রিং অব ফায়ার’-এর ওপর অবস্থিত হওয়ায় দেশটি বিশ্বের অন্যতম ভূমিকম্পপ্রবণ অঞ্চল হিসেবে পরিচিত। এ কারণে এখানে ঘন ঘন ভূমিকম্প ও আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাত ঘটে।
গত বুধবার ভেনেজুয়েলায় ৭ দশমিক ২ ও ৭ দশমিক ৫ মাত্রার দুটি ভূমিকম্প আঘাত হানে। গত এক শতাব্দীরও বেশি সময়ের মধ্যে ভেনেজুয়েলায় আঘাত হানা সবচেয়ে শক্তিশালী ভূমিকম্পগুলোর অন্যতম এটি। এর কম্পন দেশের সীমানা ছাড়িয়ে আশপাশের অঞ্চলজুড়েও অনুভূত হয়। এই ভূমিকম্পে এখন পর্যন্ত ৫৮৯ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছেন দেশটির ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট ডেলসি রদ্রিগেজ।
এ ছাড়াও ২,৯৮০ জন আহত হয়েছেন বলে জানান তিনি। ভূমিকম্প-পরবর্তী অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ৭২ ঘণ্টার ‘গোল্ডেন উইন্ডো’ বা উদ্ধারকাজের জন্য সবচেয়ে অনুকূল সময়ে ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকা পড়া মানুষদের খুঁজে বের করার জোর প্রচেষ্টা চালাচ্ছেন উদ্ধারকর্মীরা।
সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি, আল-জাজিরা